একই সময়ে নতুন করে ৮৫৫ জনের শরীরে হাম ও এর উপসর্গ শনাক্ত হয়েছে। শনিবার স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হামবিষয়ক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, ২০২২ থেকে ২০২৫ সাল পর্যন্ত টানা চার বছর দেশে হামে কোনো মৃত্যুর ঘটনা ছিল না। তবে চলতি বছরের মাত্র কয়েক মাসে হাম পরিস্থিতি ভয়াবহ আকার ধারণ করেছে।
প্রতিদিনই হাম ও উপসর্গ নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হচ্ছে শিশুরা। আক্রান্তদের চিকিৎসায় অনেক পরিবারকে ধার-দেনা করে অর্থ ব্যয় করতে হচ্ছে। আবার সন্তান হারিয়ে শোকের পাশাপাশি ঋণের বোঝাও বহন করতে হচ্ছে অনেক পরিবারকে।
এদিকে হাম পরিস্থিতি মোকাবিলায় আগামী ২৫ সেপ্টেম্বর থেকে দেশে আবারও টিকাদান কার্যক্রম শুরু করার কথা জানিয়েছেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন।
তিনি জানান, টিকাদান কর্মসূচির জন্য অধিকাংশ টিকা ইউনিসেফের মাধ্যমে দেশে পৌঁছেছে। অবশিষ্ট টিকাও আগামী ১৭ সেপ্টেম্বরের মধ্যে দেশে পৌঁছানোর কথা রয়েছে।
এস
