মার্কিন প্রেসিডেন্ট জানান, চীনের ওপর আরোপিত শুল্ক ৫৭ শতাংশ থেকে কমিয়ে ৪৭ শতাংশ করা হচ্ছে। এর মাধ্যমে চীন-মার্কিন বাণিজ্য উত্তেজনা প্রশমনে বড় ধরনের অগ্রগতি হয়েছে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা। চুক্তির অংশ হিসেবে বিরল খনিজ সম্পর্কিত জটিল ইস্যুটিও সমাধান হয়েছে বলে দাবি করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট।

এদিকে আগামী এপ্রিলে ট্রাম্প চীন সফরে যাবেন বলে জানিয়েছেন। এর পরবর্তী কোনো সময়ে প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং যুক্তরাষ্ট্র সফর করবেন। বৈঠক শেষে ট্রাম্প মন্তব্য করেন, ‘বৈঠকটি ছিল অসাধারণ। আমরা অনেক গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নিয়েছি।’

এর আগে বৃহস্পতিবার (৩০ অক্টোবর) বুসানে দ্বিপক্ষীয় বৈঠকে বসেন ডোনাল্ড ট্রাম্প ও শি জিনপিং। বৈঠকের আনুষ্ঠানিক আলোচনায় যাওয়ার আগমুহূর্তেই দুই নেতার মধ্যে হয়েছে সৌজন্যমূলক আলাপ, কূটনৈতিকভাবে বেশ গুরুত্বপূর্ণ কথোপকথন।

ট্রাম্পের সঙ্গে হাত মেলানোর সময় শি বলেন, ‘আপনাকে আবার দেখে খুবই ভালো লাগছে।’ তিনি আরও যোগ করেন, ‘আপনার পুনর্নির্বাচনের পর আমরা ফোনে তিনবার কথা বলেছি, একে অপরকে বেশ কয়েকটি চিঠি পাঠিয়েছি এবং সবসময় ঘনিষ্ঠ যোগাযোগ বজায় রেখেছি।’

চীনা প্রেসিডেন্ট বলেন, ‘আমাদের দুই দেশের ভিন্ন জাতীয় বাস্তবতা রয়েছে। ফলে সব বিষয়ে একই দৃষ্টিভঙ্গি থাকার কথা নয়। বিশ্বের শীর্ষ দুই অর্থনীতির মধ্যে মাঝে মাঝে বৈরিতা হওয়াটাও স্বাভাবিক।’

এনএইচ