বিবিসির প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু এই চুক্তিকে ইসরাইলের জন্য একটি “কূটনৈতিক সাফল্য ও নৈতিক বিজয়” হিসেবে বর্ণনা করেছেন।

মন্ত্রিসভা বৈঠকের আগে জেরুজালেমে যুক্তরাষ্ট্রের বিশেষ দূত স্টিভ উইটকফ এবং সাবেক হোয়াইট হাউস উপদেষ্টা জারেড কুশনারের সঙ্গে বৈঠক করেন নেতানিয়াহু। সেখানে যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতায় গাজায় যুদ্ধবিরতি ও জিম্মি মুক্তির প্রস্তাব নিয়ে আলোচনা হয়। আলোচনার পরই মন্ত্রিসভা বৈঠকে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।

নেতানিয়াহুর ইংরেজি ভাষার এক্স (X) অ্যাকাউন্টে প্রকাশিত এক বার্তায় বলা হয়েছে, সরকার সকল জিম্মি—জীবিত এবং মৃত—মুক্তির কাঠামো অনুমোদন করেছে। এটি দুই বছরের রক্তক্ষয়ী যুদ্ধের অবসানের সবচেয়ে বড় পদক্ষেপ, যেখানে এ পর্যন্ত ৬৭ হাজারেরও বেশি ফিলিস্তিনি প্রাণ হারিয়েছেন।

অন্যদিকে, হামাসের নির্বাসিত গাজা শাখার প্রধান খলিল আল-হাইয়া জানিয়েছেন, তারা যুক্তরাষ্ট্রসহ অন্যান্য মধ্যস্থতাকারীদের কাছ থেকে যুদ্ধ শেষ হওয়ার বিষয়ে নিশ্চয়তা পেয়েছেন।

এনএইচ