স্থানীয় সময় শুক্রবার ওই ঘটনা ঘটে, সংগঠনটির নাম অ্যাকুরেট এনার্জিটিক সিস্টেম। বিস্ফোরণের শক্তি এত প্রবল ছিল যে ক্যাম্পাসের একটি ভবন সম্পূর্ণ ধসে পড়ে এবং বিস্ফোরণ কয়েক মাইল দূরের বাড়িঘরেও অনুভূত হয়। প্রতিষ্ঠানের ক্যম্পাসটি প্রায় ১,৩০০ একর এলাকায় বিস্তৃত ও বনাঞ্চলের পাহাড়ি এলাকায় অবস্থিত।

প্রাথমিক কাজের সময়ে উদ্ধারকারীরা সরাসরি ধ্বংসস্তুপে ঢোকার ঝুঁকি নেনি — কারণ আশঙ্কা ছিল সেখানে রাখা বিস্ফোরক সক্রিয় থাকতে পারে এবং পুনরায় বিস্ফোরণের সম্ভাবনা রয়েছে। daarom উদ্ধারকাজ নিরাপত্তা পরীক্ষার পরে শুরু হয়েছে।

হাম্পপ্রিস কাউন্টি নিরাপত্তা বাহিনীর এক কর্মকর্তা ঘটনার স্থানকে “সম্পূর্ণ ধ্বংস” হিসেবে বর্ণনা করেছেন। তাঁরা জানিয়েছেন বহু মানুষের হতাহতের খবর পাওয়া গেছে, কিন্তু নির্দিষ্ট সংখ্যা তখন বলা সম্ভব হয়নি।

সংস্থার ওয়েবসাইটের তথ্য অনুযায়ী, তারা সেনাবাহিনী, বেসামরিক আকাশযান ও নির্মাণসংক্রান্ত কাজে ব্যবহৃত বিস্ফোরক সরবরাহ করত; তাদের পণ্য বিদেশি সামরিক বাহিনীর ব্যবহারের ক্ষেত্রেও ব্যবহার হয়। পাবলিক নথি থেকে জানা যায়, প্রতিষ্ঠানটি বিস্ফোরক ও সামরিক সরঞ্জাম তৈরিতে কয়েকটি প্রতিরক্ষা চুক্তি পেয়ে থাকে।

স্থানীয় প্রশাসন ও জরুরি সেবা কর্তৃপক্ষ উদ্ধারকাজ চালাচ্ছে; সেখত্রে নিখোঁজদের সন্ধান ও ক্ষতিগ্রস্তদের স্বাস্থ্যসেবা দ্রুত নিশ্চিত করা হচ্ছে। ঘটনার প্রকৃত কারণ জানাতে তদন্ত শুরু করা হয়েছে।

সূত্র: এপি

এনএইচ