অগ্নিকাণ্ডের পর পরিস্থিতি দ্রুত অবনতি হলে সাগানোসেকি জেলার প্রায় ১৭৫ বাসিন্দা বাড়িঘর ছেড়ে নিরাপদ আশ্রয়ে চলে যান। এখনো একজন লোকের খোঁজ পাওয়া যায়নি, আর আগুনের উৎস খতিয়ে দেখতে তদন্ত শুরু করেছে কর্তৃপক্ষ।

স্থানীয় টেলিভিশনের সম্প্রচারিত আকাশপথের ভিডিওতে দেখা যায়—পুরো এলাকার বহু বাড়িঘর ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে, চারদিকে ঘন কালো ধোঁয়া ছড়িয়ে আকাশ অন্ধকার হয়ে এসেছে। মাছ ধরার জন্য বিখ্যাত সাকি-ব্র্যান্ড ম্যাকেরেলের জন্য পরিচিত বন্দরঘেঁষা পাহাড়ি এই শহরজুড়ে ছড়িয়ে পড়েছে ধ্বংসের চিহ্ন।

স্থানীয় গণমাধ্যম জানিয়েছে, আগুনের লেলিহান শিখা নিকটবর্তী বনাঞ্চলেও ছড়িয়ে পড়ে, যা নিয়ন্ত্রণের কাজে আরও জটিলতা তৈরি করেছে।

পরিস্থিতি মোকাবিলায় ওইটা প্রিফেকচারের গভর্নরের অনুরোধে সামরিক বাহিনীর একটি ফায়ারফাইটিং হেলিকপ্টার ঘটনাস্থলে পাঠানো হয়েছে বলে এক্স–এ জানান জাপানের প্রধানমন্ত্রী সানায়ে তাকাইচি।

অগ্নিকাণ্ড নিয়ন্ত্রণে ফায়ার সার্ভিস, স্থানীয় কর্তৃপক্ষ ও সামরিক বাহিনী যৌথভাবে কাজ চালিয়ে যাচ্ছে।

এনএইচ