শনিবার (১২ অক্টোবর) এক বিবৃতিতে মিশর প্রেসিডেন্টের দফতর জানায়, সম্মেলনে বিশ্বের ২০টিরও বেশি দেশের রাষ্ট্র ও সরকারপ্রধান অংশ নেবেন।

বিবৃতিতে আরও বলা হয়, এই বৈঠকের মূল লক্ষ্য গাজা উপত্যকার যুদ্ধের অবসান, মধ্যপ্রাচ্যে শান্তি ও স্থিতিশীলতা প্রতিষ্ঠার প্রচেষ্টা জোরদার করা এবং আঞ্চলিক নিরাপত্তার নতুন যুগের সূচনা করা।

জাতিসংঘ মহাসচিব অ্যান্তোনিও গুতেরেস, যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমার, ইতালির প্রধানমন্ত্রী জর্জিয়া মেলোনি, স্পেনের প্রধানমন্ত্রী পেদ্রো সানচেজ এবং ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁ ইতিমধ্যে সম্মেলনে যোগ দেওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তবে ইসরাইলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু বা হামাসের কোনো প্রতিনিধি থাকবেন কিনা তা এখনো স্পষ্ট নয়।

সম্মেলনের ঘোষণা আসে এমন সময়ে, যখন হামাস ও ইসরাইলের মধ্যে যুদ্ধবিরতি কার্যকর হওয়ার পর গাজার উত্তরাঞ্চলের বাস্তুচ্যুত মানুষরা ধীরে ধীরে নিজেদের পুরোনো এলাকায় ফিরে যাচ্ছেন। কয়েক সপ্তাহের তীব্র বোমাবর্ষণে এলাকা প্রায় ধ্বংসস্তূপে পরিণত হলেও তারা পুনর্গঠনের আশায় ফিরছেন।

প্রায় দুই বছর ধরে চলা গাজা যুদ্ধের অবসানের লক্ষ্যে গত মাসের শেষ দিকে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের অধিবেশনের ফাঁকে ট্রাম্প আরব ও মুসলিম দেশগুলোর নেতাদের সঙ্গে বৈঠক করেন। এরপর ২৯ সেপ্টেম্বর হোয়াইট হাউসে ইসরাইলি প্রধানমন্ত্রী নেতানিয়াহুর সঙ্গে সাক্ষাৎ শেষে তিনি ২০ দফা শান্তি পরিকল্পনা ঘোষণা করেন।

এই প্রস্তাবের ভিত্তিতে গত ৬ অক্টোবর শারম আল-শেখে যুক্তরাষ্ট্র, কাতার ও মিশরের মধ্যস্থতায় হামাস ও ইসরাইলের মধ্যে পরোক্ষ আলোচনা শুরু হয়। তিন দিনের আলোচনার পর ৮ অক্টোবর রাতে উভয় পক্ষ যুক্তরাষ্ট্রের প্রস্তাবের প্রথম ধাপ বাস্তবায়নে সম্মত হয়।

এরপর ১০ অক্টোবর ইসরাইলি সরকার আনুষ্ঠানিকভাবে হামাসের সঙ্গে যুদ্ধবিরতি অনুমোদন করে এবং সেদিন থেকেই গাজা উপত্যকায় যুদ্ধবিরতি কার্যকর হয় বলে জানায় ইসরাইলি সেনাবাহিনী (আইডিএফ)।

এনএইচ