ইইউভুক্ত দেশগুলোর নেতাদের সঙ্গে এক শীর্ষ সম্মেলনের আগে সাংবাদিকদের তিনি এ কথা বলেন। খবর আল জাজিরার।

কাজা কালাস আরো বলেন, ‘পরিস্থিতি অনুকূল হলে সদস্য রাষ্ট্রগুলো অবশ্যই নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করা উপযুক্ত হবে কি না, তা নিয়ে আলোচনা করবে। তবে আমরা এখনও সেই পর্যায়ে পৌঁছাইনি।’

বর্তমানে ইইউ ইরানের ৭০০-এরও বেশি ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের ওপর বহুপাক্ষিক নিষেধাজ্ঞা বজায় রেখেছে। এসব নিষেধাজ্ঞার মধ্যে রয়েছে ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞা এবং সম্পদ জব্দের মতো ব্যবস্থা।

এর আগে, ইউরোপের চার দেশ ইরানের ওপর থেকে নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়ার ঘোষণা দেয়। যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান যুদ্ধ অবসান, ইরানের ওপর মার্কিন অবরোধ প্রত্যাহার এবং হরমুজ প্রণালি পুনরায় খুলে দেওয়ার লক্ষ্যে একটি কাঠামোগত সমঝোতায় পৌঁছানোর পর এ ঘোষণা আসে।

এক বিবৃতিতে যুক্তরাজ্য, ফ্রান্স, জার্মানি ও ইতালি এই চার ই-৪ দেশ গত রোববার জানায়, আমেরিকা ও ইরানের মধ্যে যুদ্ধ অবসানের চুক্তি হওয়ার পর ইরানের পরমাণু কর্মসূচির পদক্ষেপের ওপর ভিত্তি করে তারা দেশটির ওপর থেকে নিষেধাজ্ঞা তুলে নিতে প্রস্তুত।

যৌথ বিবৃতিতে দেশগুলোর নেতারা বলেছেন, ‘ইরান যেন কখনোই পরমাণু অস্ত্র তৈরি করতে না পারে, আমরা সেই লক্ষ্যে আমেরিকা, ইরান এবং আইএইএর সঙ্গে কাজ করতে সম্পূর্ণ প্রস্তুত।’

এনএইচ