বিষয়টি সম্পর্কে অবগত তিনজন মার্কিন ও ইউরোপীয় কর্মকর্তা এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। খবর—সিএনএন।

গত অক্টোবর মাসে হোয়াইট হাউসে ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কির সঙ্গে বৈঠকের সময় ট্রাম্প জানিয়েছিলেন, তিনি এই ক্ষেপণাস্ত্র সরবরাহে অনিচ্ছুক। তাঁর যুক্তি ছিল—“যেসব অস্ত্র আমাদের নিজস্ব নিরাপত্তার জন্য জরুরি, সেগুলো আমরা অন্য কাউকে দিতে চাই না।”

পেন্টাগনের যৌথ বাহিনী কমান্ড সে সময়ই মূল্যায়ন করে জানায়, যুক্তরাষ্ট্রের হাতে পর্যাপ্ত টমাহক রয়েছে এবং এগুলো সরবরাহ করলে নিরাপত্তা ঝুঁকি তৈরি হবে না। ইউক্রেন দীর্ঘদিন ধরে রাশিয়ার অভ্যন্তরে জ্বালানি ও সামরিক স্থাপনাগুলোতে আরও দূর থেকে আঘাত হানতে সক্ষম এমন অস্ত্রের দাবি জানাচ্ছে। টমাহক ক্ষেপণাস্ত্রের পাল্লা প্রায় ১,৬০০ কিলোমিটার।

এই মূল্যায়নের পর ইউরোপীয় মিত্ররাও আরও আত্মবিশ্বাসী হয়ে উঠেছেন। তাদের বক্তব্য, এখন ক্ষেপণাস্ত্র না দেওয়ার পক্ষে যুক্তরাষ্ট্রের কাছে তেমন যুক্তি নেই। এমনকি জেলেনস্কির সঙ্গে বৈঠকের আগে ট্রাম্প নিজেও বলেছিলেন, “আমাদের কাছে প্রচুর টমাহক আছে, চাইলে আমরা দিতে পারি।”

তবে পরে মত পরিবর্তন করেন ট্রাম্প। বৈঠকের সময় তিনি বলেন, “এই ক্ষেপণাস্ত্র যুক্তরাষ্ট্রের নিজস্ব প্রয়োজনের জন্য দরকার।” রুদ্ধদ্বার বৈঠকে জেলেনস্কিকে তিনি জানান, আপাতত এই ক্ষেপণাস্ত্র দেওয়া হবে না।

যদিও পেন্টাগনের হাতে পর্যাপ্ত টমাহক আছে বলে নিশ্চিত করা হয়েছে, তারপরও প্রতিরক্ষা কর্মকর্তারা ভাবছেন—ইউক্রেন কীভাবে এগুলো পরিচালনা করবে, কোথায় মোতায়েন করবে এবং প্রশিক্ষণ কীভাবে দেওয়া হবে। ইউক্রেনের কার্যকর ব্যবহারের জন্য কয়েকটি প্রযুক্তিগত ও ব্যবস্থাপনাগত বিষয় এখনো ঠিক করা বাকি।

এনএইচ