এতে করে বিশ্বব্যাপী বিমান চলাচলে বিঘ্ন ঘটার শঙ্কা দেখা দিয়েছে। শনিবার (২৯ নভেম্বর) বিভিন্ন এয়ারলাইন্স ইতিমধ্যে অনেক ফ্লাইট বাতিল বা স্থগিত করেছে।
গত অক্টোবরে জেটব্লু এয়ারক্রাফটের মেক্সিকো থেকে যুক্তরাষ্ট্রগামী একটি বিমান উড়ন্ত অবস্থায় হঠাৎ করে নিচে নেমে আসে। এরপর তদন্তে ত্রুটি খুঁজে পাওয়া যায়। এতে দেখা যায়, সৌর বিকিরণের কারণে এমনটি হয়েছে। সৌর বিকিরণ বিমানের কম্পিউটারের একটি ডাটাকে ক্ষতিগ্রস্ত করেছিল। এই ডাটা বিমানের উচ্চতাকে নিয়ন্ত্রণ করে।
ওই সময় এয়ারবাসের তৈরি জেটব্লু এয়ারক্রাফটের বিমানটি জরুরি অবতরণ করে। এরপর কারণ খোঁজার কাজ শুরু হয়। এরপর এয়ারবাস জরুরিভিত্তিতে ছয় হাজার বিমানের সফটওয়্যার আপডেটের নির্দেশনা দেয়।
এয়ারবাস জানিয়েছে, বেশিরভাগ ক্ষতিগ্রস্ত বিমানের ক্ষেত্রে সফটওয়্যারটিকে পুরানো, নির্ভরযোগ্য সংস্করণে ফিরিয়ে নেওয়ার মাধ্যমে সমস্যার সমাধান করা হচ্ছে। প্রতিটি বিমানের সফটওয়্যার আপডেট করতে আনুমানিক দুই ঘণ্টা সময় লাগছে। তবে, কিছু বিমানের ক্ষেত্রে হার্ডওয়্যার পরিবর্তনের প্রয়োজন হতে পারে, যা সমাধানে আরও বেশি সময় লাগবে। যদিও হার্ডওয়্যার পরিবর্তনের সংখ্যা ‘বিরল’ বলা যায়।
সূত্র: বিবিসি
এনএইচ