একই সময়ে ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি চীন সফরে পৌঁছেছেন। ট্রাম্পের সম্ভাব্য বেইজিং সফরের আগে এই সফরকে তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে।
সাংহাই ইন্টারন্যাশনাল স্টাডিজ ইউনিভার্সিটির অধ্যাপক হুংদা ফ্যানের মতে, সুস্পষ্ট সামরিক কৌশলের অভাব এবং আন্তর্জাতিক চাপের কারণেই যুক্তরাষ্ট্র শেষ পর্যন্ত অবস্থান পরিবর্তনে বাধ্য হয়েছে।
বিশ্লেষকদের ধারণা, ‘হুমকি দিয়ে সমাধান’—যুক্তরাষ্ট্রের পুরোনো কৌশল এবার কার্যকর হয়নি। বরং আসন্ন চীন-যুক্তরাষ্ট্র শীর্ষ বৈঠকের আগে বৈশ্বিক শক্তিগুলো উত্তেজনা কমানোর পক্ষে অবস্থান নিয়েছে।
এদিকে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে আস্থার সংকট আরও গভীর হওয়ায় চীন এখন সম্ভাব্য মধ্যস্থতাকারী হিসেবে গুরুত্বপূর্ণ অবস্থানে রয়েছে। কূটনৈতিক ও অর্থনৈতিক প্রভাব কাজে লাগিয়ে বেইজিং দুই দেশের মধ্যে উত্তেজনা প্রশমনে ভূমিকা রাখতে পারে বলে মনে করছেন পর্যবেক্ষকরা।
বিশ্লেষকদের মতে, চলমান এই উত্তেজনা মধ্যপ্রাচ্যের নিরাপত্তা কাঠামোতেও বড় পরিবর্তনের ইঙ্গিত দিচ্ছে। আঞ্চলিক দেশগুলো ভবিষ্যতে আরও বেশি কৌশলগত স্বায়ত্তশাসনের পথে হাঁটতে পারে।
বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করে বলেছেন, কূটনৈতিক উদ্যোগ ব্যর্থ হলে সবচেয়ে বেশি ক্ষতির মুখে পড়তে পারে ইরান। তবে ট্রাম্পের সম্ভাব্য বেইজিং সফরকে কেন্দ্র করে নতুন কোনো সমঝোতার পথ তৈরি হতে পারে বলেও আশা করা হচ্ছে।
এস