আনন্দ ও পাদ্রার মধ্যে সংযোগকারী এই সেতুর মাঝের অংশ ভেঙে পড়ায় ঘটনাস্থলে থাকা একাধিক যানবাহন নদীতে পড়ে যায়। দুর্ঘটনার খবর পাওয়ার পরপরই উদ্ধার তৎপরতা শুরু করে স্থানীয় প্রশাসন।
সংবাদ সংস্থা পিটিআই জানিয়েছে, প্রায় ৪০ বছর পুরনো সেতুটি থেকে একটি গাড়ি নদীতে পড়ে তিনজন নিহত হন। এ সময় আহত পাঁচজনকে উদ্ধার করা হয়েছে। তাদের মধ্যে কয়েকজনকে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে।
গুজরাট সরকারের মুখপাত্র ঋষিকেশ প্যাটেল বলেন, আনন্দ ও পাদ্রার মধ্যে সংযোগকারী সেতুর মাঝের অংশ ভেঙে পড়ায় তিনজনের মৃত্যু হয়েছে এবং পাঁচজনকে উদ্ধার করা হয়েছে। পাঁচ-ছয়জনকে চিকিৎসা দিয়ে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। দুর্ঘটনার কারণ খতিয়ে দেখতে সেতু বিশেষজ্ঞ ও কারিগরি বিশেষজ্ঞদের সঙ্গে কথা বলার নির্দেশ দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী।
তিনি আরও বলেন, সেতুটি মেরামত করা হয়েছিল। তবু এই দুর্ভাগ্যজনক ও মর্মান্তিক ঘটনাটি ঘটেছে। ইতোমধ্যে ২১২ কোটি টাকা ব্যয়ে নতুন সেতু নির্মাণের অনুমোদন দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী।
ভদোদরা জেলার কালেক্টর প্রবীণ চৌধুরী জানান, ভদোদরার দিক থেকে উদ্ধার অভিযান চালানো হচ্ছে। আমরা কেবল যান চলাচল বন্ধ করেছি। এই সেতুটিও ভদোদরা জেলার অন্তর্গত। আনন্দ ও সৌরাষ্ট্র থেকে ভদোদরাগামী যানবাহন বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। সেতুটি ১৯৮৩ থেকে ১৯৮৪ সালের মধ্যে নির্মিত হয়েছিল।
ঘটনার পর রাজ্য সরকারকে কটাক্ষ করেছে বিরোধী দলগুলো।
কংগ্রেস নেতা অমিত চাভদা বলেন, এই সেতু দিয়ে প্রচুর যানবাহন যাতায়াত করে। কেন এত ঘন ঘন এমন দুর্ঘটনা ঘটছে? সেতু বিপজ্জনক হলে তা বন্ধ বা মেরামত করতে হবে। সরকারের চরম অবহেলার কারণে এই ঘটনা ঘটেছে।
আম আদমি পার্টির নেতা ইসুদান গাধভি বলেন, সেতু থেকে একটি ট্রাক, একটি পিকআপ গাড়িসহ চারটি ট্রাক নদীতে পড়ে গেছে। আজ ব্রিজ পার হওয়ার সময় বা তার নিচ দিয়ে যাওয়ার সময় ভয় লাগে। যদি সেতুর অবস্থা বেহাল থাকে, তাহলে যান চলাচল বন্ধ করা হলো না কেন?
সূত্র: বিবিসি বাংলা
এনএইচ