হামাস এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতায় সম্পাদিত যুদ্ধবিরতি চুক্তির অংশ হিসেবে এই লাশ ফেরত দেওয়া হয়েছে। চুক্তি অনুযায়ী, মোট ২৮ জিম্মির মরদেহ ফেরত দেওয়ার কথা থাকলেও এখন পর্যন্ত ১৫ জনের লাশ হস্তান্তর করা হয়েছে। এখনও ১৩ জনের খোঁজ মেলেনি। হামাসের দাবি, তাদের অনেকেই ধ্বংসস্তূপের নিচে আটকা পড়ে আছেন এবং প্রয়োজনীয় উদ্ধার সরঞ্জামের অভাবে উদ্ধার কার্যক্রম বাধাগ্রস্ত হচ্ছে।
রেডক্রসের মাধ্যমে লাশগুলো ইসরায়েলি বাহিনীর কাছে পৌঁছানোর পর মঙ্গলবার গভীর রাতে সেগুলো তেলআবিবের ন্যাশনাল সেন্টার অব ফরেনসিক মেডিসিনে নেওয়া হয়। সেখানে ডিএনএ পরীক্ষার পর মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে বলে জানিয়েছে ইসরায়েলি কর্তৃপক্ষ।
এদিকে, আল-জাজিরার প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, যুদ্ধবিরতি কার্যকর থাকা সত্ত্বেও গত রোববার গাজায় ব্যাপক বিমান হামলা চালায় ইসরায়েলি সেনারা। ওইদিন অন্তত ৪৫ জন ফিলিস্তিনি নিহত হন। সারাদিনের হামলার পর রাতে আবারও যুদ্ধবিরতি কার্যকরের ঘোষণা দেয় ইসরায়েল।
মানবাধিকার সংস্থাগুলোর তথ্যানুসারে, যুদ্ধবিরতি ঘোষণার পরও ইসরায়েলি বাহিনীর অভিযানে এখন পর্যন্ত ৯৭ জন ফিলিস্তিনি প্রাণ হারিয়েছেন।
এনএইচ