মঙ্গলবার (১৫ এপ্রিল) আলজাজিরার এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
এক বিবৃতিতে উইটকফ বলেন, যে কোনো চূড়ান্ত চুক্তিকে অবশ্যই একটি শান্তি, স্থিতিশীলতা এবং মধ্যপ্রাচ্যে সমৃদ্ধির কাঠামো স্থাপন করতে হবে। যার অর্থ হচ্ছে ইরানকে তার পারমাণবিক সমৃদ্ধকরণ ও অস্ত্রীকরণ কর্মসূচি বন্ধ করতে হবে।
উইটকফের এই মন্তব্যটি আগের দিনের বক্তব্যের সঙ্গে বিপরীত। আগের মন্তব্যে তিনি বলেছিলেন, যুক্তরাষ্ট্র কেবলমাত্র কম মাত্রায় ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণে সন্তুষ্ট হতে পারে, যদি তা কেবল জ্বালানি উৎপাদনের জন্য হয়।
তিনি আরও বলেন, বিশ্বের স্বার্থে একটি কঠিন, ন্যায্য এবং স্থায়ী চুক্তি তৈরি করা অত্যন্ত জরুরি- প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প আমাকে সে কাজেই নিয়োজিত করেছেন।
যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তরও উইটকফের বক্তব্য সমর্থন করে জানায়, ইরানের ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ পুরোপুরি বন্ধ করাই তাদের লক্ষ্য। গত শনিবার ওমানে ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচির সঙ্গে সরাসরি আলোচনায় অংশ নেন উইটকফ। আগামী ১৯ এপ্রিল আরেক দফা বৈঠকের কথা রয়েছে।
উল্লেখ্য, স্টিভ উইটকফ আনুষ্ঠানিকভাবে মধ্যপ্রাচ্যের জন্য বিশেষ দূত হলেও ডোনাল্ড ট্রাম্প তাকে রাশিয়া ও ইরানের সঙ্গে কূটনৈতিক আলোচনার মতো গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব দিয়েছেন। ইরানের পরমাণু কর্মসূচি নিয়ে পশ্চিমা দেশগুলোর দীর্ঘদিনের উদ্বেগের মধ্যে এ আলোচনা আন্তর্জাতিক অঙ্গন নজরে রাখছে।
এনএইচ