পররাষ্ট্র দপ্তরের বিবৃতিতে বলা হয়েছে, সফরকালে প্রেসিডেন্ট আল নাহিয়ান প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের সার্বিক বিষয় পর্যালোচনা করবেন। পাশাপাশি তারা আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ ইস্যু নিয়ে মতবিনিময় করবেন।
বিবৃতিতে আরও বলা হয়, “এই সফর পাকিস্তান ও সংযুক্ত আরব আমিরাতের মধ্যে দীর্ঘদিনের ভ্রাতৃত্বপূর্ণ সম্পর্ক আরও জোরদার করার একটি গুরুত্বপূর্ণ সুযোগ সৃষ্টি করবে।”
পররাষ্ট্র দপ্তরের মতে, এই সফর দুই দেশের গভীর দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক এবং বাণিজ্য, বিনিয়োগ, জ্বালানি, উন্নয়ন ও আঞ্চলিক স্থিতিশীলতাসহ গুরুত্বপূর্ণ খাতে সহযোগিতা বাড়ানোর যৌথ অঙ্গীকারের প্রতিফলন।
পাকিস্তান ও সংযুক্ত আরব আমিরাতের মধ্যে দীর্ঘদিনের ঘনিষ্ঠ কূটনৈতিক, অর্থনৈতিক ও সাংস্কৃতিক সম্পর্ক রয়েছে। ঐতিহাসিক বন্ধন এবং আমিরাতে বসবাসরত বিপুলসংখ্যক পাকিস্তানি প্রবাসী এই সম্পর্ককে আরও শক্তিশালী করেছে।
সংযুক্ত আরব আমিরাত পাকিস্তানের অন্যতম বৃহৎ বাণিজ্য অংশীদার এবং রেমিট্যান্সের একটি প্রধান উৎস। বিভিন্ন খাতে কর্মরত হাজারো পাকিস্তানি আমিরাতে কাজ করছেন। প্রতিরক্ষা, জ্বালানি ও বিনিয়োগ খাতে দুই দেশের মধ্যে সহযোগিতা রয়েছে এবং সংযুক্ত আরব আমিরাত প্রায়ই পাকিস্তানকে আর্থিক সহায়তা ও মানবিক সাহায্য দিয়ে থাকে।
চলতি বছরের এপ্রিল মাসে পাকিস্তান ও সংযুক্ত আরব আমিরাত দুই দেশের জনগণের মধ্যে সম্পর্ক আরও দৃঢ় করতে একাধিক সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) সই ও বিনিময় করে। এর মধ্যে দুটি ছিল সংস্কৃতি খাতে সহযোগিতা এবং কনস্যুলার বিষয়ক যৌথ কমিটি গঠনের জন্য।
আরেকটি এমওইউ সই হয় সংযুক্ত আরব আমিরাতের চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি ফেডারেশন এবং পাকিস্তান চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি ফেডারেশনের মধ্যে, যার মাধ্যমে ইউএই–পাকিস্তান যৌথ ব্যবসা পরিষদ গঠনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
সূত্র: ডন
এনএইচ