সামরিক বিশেষজ্ঞদের মতে, পাহাড়ি এলাকার উঁচু অবস্থানগুলোর নিয়ন্ত্রণ যে পক্ষের হাতে থাকবে, তারা আশপাশের ভূখণ্ড, লোহিত সাগরের উপকূলীয় এলাকা এবং তাইজ শহরের ওপর নজরদারিতে কৌশলগত সুবিধা পাবে।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, জাবল সাবির পাহাড় দখল করতে পারলে তাইজ শহরের ওপর হুথিদের সামরিক প্রভাব আরও বাড়তে পারে। তবে পাহাড়টি দখল করলেই পুরো শহর তাদের নিয়ন্ত্রণে চলে যাবে—এমন ধারণা নিশ্চিতভাবে বলা যাচ্ছে না।
হুথিদের অগ্রযাত্রা ঠেকাতে প্রতিরোধ গড়ে তুলেছে ইয়েমেনের সরকারি বাহিনী। সম্প্রতি তাইজের দক্ষিণাঞ্চলের আল-মিসরাখ ও আল-তোরবাহ প্রশাসনিক এলাকার কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ অবস্থান হুথিরা দখল করেছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। এসব এলাকা তাইজ শহরে প্রবেশের গুরুত্বপূর্ণ পথ হিসেবে পরিচিত।
হুথিদের অগ্রযাত্রা ঠেকাতে সৌদি নেতৃত্বাধীন জোটের জোরদার বিমান হামলার আহ্বান জানিয়েছে ইয়েমেনের সরকার। পাশাপাশি রণক্ষেত্রে অতিরিক্ত সেনাসদস্য পাঠানো হয়েছে বলে প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে।
ইয়েমেনের দীর্ঘদিনের সংঘাতে দেশটির রাজধানী সানাসহ বিস্তীর্ণ এলাকা হুথিদের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। ২০১৪ সালের শেষ দিকে সানা দখলের পর থেকে গোষ্ঠীটি সেখানে নিজস্ব প্রশাসনিক কাঠামো ও সরকার পরিচালনা করে আসছে।
অন্যদিকে, আন্তর্জাতিক কূটনীতি ও জাতিসংঘের পরিসরে ইয়েমেনের স্বীকৃত সরকার হিসেবে বিবেচিত হয় হুথিবিরোধী সরকার। এই দুই পক্ষের বিরোধ ও সামরিক সংঘাতের কারণে দেশটিতে দীর্ঘদিন ধরে অস্থিতিশীলতা চলছে।
এস
















