এদিকে, পার্শ্ববর্তী দেশ ইন্দোনেশিয়ার কর্তৃপক্ষ জনগণকে শান্ত থাকার আহ্বান জানিয়েছে এবং অযাচাইকৃত তথ্য ছড়ানো বা বিশ্বাস করা থেকে বিরত থাকতে বলেছে।

ইন্দোনেশিয়ার মেট্রোলজি, ক্লাইমেটলজি অ্যান্ড জিওফিজিক্স এজেন্সি (BMKG) এক বিবৃতিতে জানায়,

“ভূমিকম্পের পর ক্ষতিগ্রস্ত বা ফাটল ধরা ভবন থেকে দূরে থাকুন। বাড়িতে ফেরার আগে নিশ্চিত করুন যে আপনার ঘর কাঠামোগতভাবে নিরাপদ এবং ক্ষতিগ্রস্ত নয়।”

সংস্থাটি আরও জানায়, এখন পর্যন্ত কোনো বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতির খবর পাওয়া যায়নি।

ফিলিপাইন সাম্প্রতিক সময়ে একের পর এক প্রাকৃতিক দুর্যোগের ধাক্কা সামলে ওঠার চেষ্টা করছে। এর মধ্যেই এদিন সকালে শক্তিশালী এই ভূমিকম্প আঘাত হানে।

গত সপ্তাহেই দেশটির সেবু প্রদেশের উপকূলীয় শহর বোগোতে ৭ মাত্রার ভূমিকম্পে ৭৪ জন নিহত এবং ৫০০ জনের বেশি আহত হয়েছিলেন।

এ ছাড়া, ফিলিপাইন এমন এক অঞ্চলে অবস্থিত যা ঘূর্ণিঝড়প্রবণ ও প্রাকৃতিক দুর্যোগে অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ।

সম্প্রতি ঘূর্ণিঝড় ‘বুয়ালই’ মধ্য ফিলিপাইনের ছোট দ্বীপগুলোতে আঘাত হানলে ১১ জনের মৃত্যু হয় এবং লক্ষাধিক মানুষকে নিরাপদ আশ্রয়ে সরিয়ে নিতে হয়।

এর আগে সেপ্টেম্বরে, এই বছরের সবচেয়ে শক্তিশালী ঝড় সুপার টাইফুন ‘রাগাসা’ দেশটির উত্তরের কাগায়ান প্রদেশে তাণ্ডব চালায়।

সূত্র : বিবিসি

এনএইচ