শুক্রবার ফক্স বিজনেস নেটওয়ার্কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প বলেন, “আমি আশা করছি সৌদি আরব এতে যোগ দেবে। তারা যুক্ত হলে আরও কয়েকটি দেশ এতে অংশ নেবে।” তিনি চুক্তিটিকে “অসাধারণ সাফল্য” হিসেবে বর্ণনা করেন।
২০২০ সালে চালু হওয়া এই আব্রাহাম চুক্তির মাধ্যমে ইসরায়েল সংযুক্ত আরব আমিরাত, বাহরাইন, মরক্কো ও সুদানের সঙ্গে কূটনৈতিক সম্পর্ক স্থাপন করে। ট্রাম্পের দাবি, এ উদ্যোগ মধ্যপ্রাচ্যে স্থায়ী শান্তি আনতে সহায়ক হবে।
তবে সাম্প্রতিক বছরগুলোতে পরিস্থিতি বদলে গেছে। ইসরায়েল গাজা উপত্যকায় ব্যাপক হামলা, পশ্চিম তীরে সামরিক অভিযান এবং কাতারসহ কয়েকটি দেশে বোমা হামলা চালিয়েছে। এতে আরব ও মুসলিম বিশ্বের ক্ষোভ তীব্র হয়েছে।
গত সেপ্টেম্বর দোহায় অনুষ্ঠিত আরব লীগ ও ওআইসির জরুরি বৈঠকে ৬০টি দেশ একযোগে ইসরায়েলের হামলার নিন্দা জানায় এবং কাতারের প্রতি সংহতি প্রকাশ করে।
অন্যদিকে, সৌদি আরব এখনো ২০০২ সালের আরব শান্তি উদ্যোগের প্রতিশ্রুতিতে অটল রয়েছে। দেশটি জানিয়েছে, স্বাধীন ফিলিস্তিন রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা না হওয়া পর্যন্ত ইসরায়েলের সঙ্গে সম্পর্ক স্বাভাবিক করা সম্ভব নয়।
ওয়াশিংটনভিত্তিক এক জরিপ সংস্থার প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ৮১ শতাংশ সৌদি নাগরিক ইসরায়েলের সঙ্গে সম্পর্ক স্বাভাবিকীকরণের বিরোধিতা করেন।
বিশ্লেষকদের মতে, গাজা যুদ্ধ ও আরব বিশ্বের বর্তমান পরিস্থিতি বিবেচনায় ট্রাম্পের কাঙ্ক্ষিত আব্রাহাম চুক্তি সম্প্রসারণ এখন অনেকটাই অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে।
এনএইচ