logo
Search

আন্তর্জাতিক

পদত্যাগপত্রে কী লিখেছেন পুতুল?

জালিয়াতির অভিযোগের তদন্তের মধ্যেই বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (ডব্লিউএইচও) দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া অঞ্চলের আঞ্চলিক পরিচালকের পদ থেকে পদত্যাগ করেছেন সায়মা ওয়াজেদ পুতুল। তিনি বাংলাদেশের সাবেক ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার মেয়ে।

টাইমনিউজবিডি ডেস্ক

সংবাদমাধ্যম রয়টার্সের হাতে আসা সায়মা ওয়াজেদের পদত্যাগপত্র অনুযায়ী, বুধবার (৯ সেপ্টেম্বর) তিনি পদত্যাগ করেন। তার বিরুদ্ধে জালিয়াতির অভিযোগ নিয়ে জাতিসংঘের স্বাস্থ্য সংস্থা ডব্লিউএইচও এবং বাংলাদেশের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ তদন্ত করছিল।

পদত্যাগপত্রে সায়মা ওয়াজেদ জানান, বাংলাদেশে একটি জমি অবৈধভাবে নেওয়ার অভিযোগও ডব্লিউএইচও তার বিরুদ্ধে তুলেছে। তবে তার দাবি, ডব্লিউএইচওতে যোগ দেওয়ার আগেই তিনি ওই জমি পেয়েছিলেন। শেখ মুজিবুর রহমানের পরিবারের সদস্যদের জন্য প্রযোজ্য একটি আইনের আওতায় ওই জমি পাওয়ার অধিকার তার ছিল বলেও পদত্যাগপত্রে উল্লেখ করেন তিনি।

ডব্লিউএইচওর মহাপরিচালক টেড্রোস আধানম গেব্রেয়েসুসকে দেওয়া পদত্যাগপত্রে পুতুল বলেন, আঞ্চলিক পরিচালক হিসেবে নির্বাচিত হওয়ার পর তিনি আন্তরিকতার সঙ্গে দায়িত্ব পালনের চেষ্টা করেছেন।

তবে তাকে দায়িত্ব পালনে বাধা দেওয়ার কারণে ডব্লিউএইচওর নেতৃত্বের ওপর তার আস্থা ও বিশ্বাস ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলে উল্লেখ করেন তিনি। একই সঙ্গে প্রায় এক বছর ধরে বেতন না পাওয়ায় তার আর্থিক পরিস্থিতি অসহনীয় পর্যায়ে পৌঁছেছে বলেও জানান। এসব পরিস্থিতির পরিপ্রেক্ষিতেই পদ থেকে সরে দাঁড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছেন বলে পদত্যাগপত্রে লিখেছেন তিনি।

২০২৪ সালের শুরুতে পাঁচ বছরের মেয়াদে ডব্লিউএইচওর দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া অঞ্চলের আঞ্চলিক পরিচালক হিসেবে দায়িত্ব নেন সায়মা ওয়াজেদ। তবে গত বছরের শেষ দিকে সংস্থাটি তাকে বেতনবিহীন প্রশাসনিক ছুটিতে পাঠায়।

এর আগে, গত বছরের মার্চে বাংলাদেশের দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) তার বিরুদ্ধে প্রতারণা ও জালিয়াতির অভিযোগে মামলা করে। এরপর জুলাইয়ে তাকে প্রথমবারের মতো ছুটিতে পাঠানো হয়।

গত ৩ জুলাই ডব্লিউএইচওকে দেওয়া পুতুলের আইনজীবীদের পৃথক একটি চিঠিতে বলা হয়, সংস্থাটি চীন সফরের সময় আর্থিক জালিয়াতি এবং নিজের শিক্ষাগত যোগ্যতা সম্পর্কে ভুল তথ্য দেওয়ার অভিযোগ এনেছে তার বিরুদ্ধে। তবে এসব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন সায়মা ওয়াজেদ।

সূত্র: রয়টার্স

এনএইচ