গত এপ্রিলে কাঠের আসবাব, গৃহসজ্জা ও রান্নাঘরের সামগ্রীর ওপর ধার্যকৃত ‍শুল্ক ২৫ শতাংশে উন্নীত করেন ট্রাম্প। এরপর অক্টেবরে গৃহসজ্জা ও রান্নাঘরের ব্যবাহার্য জিনিসপত্রের ওপর ধার্য শুল্ক বাড়িয়ে ৫০ শতাংশ এবং কাঠের আসবাবের ওপর শুল্ক ৩০ শতাংশ পর্যন্ত বৃদ্ধি করা হয়।

প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প স্বাক্ষরিত এক নির্বাহী আদেশে জানানো হয়েছিল, আগামী ২০২৬ সালের ১ জানুয়ারি থেকে কার্যকর হবে এই বর্ধিত শুল্ক।

তবে গতকাল বৃহস্পতিবারের এক বিবৃতি বলা হয়েছে, ২০২৬ সালের এক জানুয়ারির পরিবর্তে ২০২৭ সালের এক জানুয়ারি থেকে বর্ধিত শুল্ক কার্যকর করা হবে। তার আগ পর্যন্ত এই তিন ক্যাটাগরির সব পণ্যে আগের ২৫ শতাংশ শুল্কই জারি থাকবে।

হোয়াইট হাউসের এক কর্মকর্তা মার্কিন সংবাদমাধ্যমকে জানিয়েছেন, পারস্পরিক বাণিজ্যিক সম্পর্ক রয়েছে, এমন দেশগুলির সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের ‘গঠনমূলক আলোচনা’ জারি রয়েছে। তাছাড়া বাসা-বাড়ির জন্য অপরিহার্য আসবাব, গৃহসজ্জা ও রান্নাঘরের সামগ্রীর দাম অতিমাত্রায় বেড়ে গেলে সাধারণ মার্কিনীরা ক্ষুব্ধ হয়ে উঠতে পারেন।

প্রসঙ্গত, ট্রাম্প অক্টেবারে বর্ধিত শুল্ক আরোপের ঘোষণা দেওয়ার পর থেকেই যুক্তরাষ্ট্রের অভ্যন্তরীণ বাজারে বাড়ছিল কাঠের আসবাব, গৃহসজ্জা ও রান্নাঘরে ব্যবহার উপযোগী পণ্যগুলোর দাম।

এনএইচ