প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, নিহতরা সবাই গাজা সিটিতে নিজেদের ঘরে ফেরার পথে ছিলেন। হঠাৎই ইসরাইলি বাহিনী তাদের লক্ষ্য করে গুলি চালায়।

ইসরাইলি প্রতিরক্ষা বাহিনী (আইডিএফ) দাবি করেছে, সেনা সদস্যদের খুব কাছে চলে আসায় সন্দেহভাজন হিসেবে তাদের ওপর গুলি চালানো হয়।

অন্যদিকে, ফিলিস্তিনি স্বাস্থ্য কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, নিহতদের গাজার আল-আহলি ও আল-নাসের হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসকরা তাদের মৃত ঘোষণা করেন।

এর আগে, গত ১৩ অক্টোবর যুদ্ধবিরতির আওতায় হামাস ২০ ইসরাইলি জিম্মিকে জীবিত অবস্থায় মুক্তি দেয়। পাল্টা হিসেবে ইসরাইলও প্রায় ১,৭০০ ফিলিস্তিনি বন্দিকে মুক্তি দেয়, যাদের মধ্যে আড়াইশজন ছিলেন গুরুতর সাজাপ্রাপ্ত। বন্দিদের স্বাগত জানাতে খান ইউনিসের নাসের হাসপাতালে জড়ো হন হাজারো মানুষ।

সোমবারও যুদ্ধবিরতির অংশ হিসেবে হামাস আরও কিছু ইসরাইলি জিম্মি মুক্ত করে, আর ইসরাইল ফিরিয়ে দেয় বেশ কয়েকজন ফিলিস্তিনি বন্দিকে।

দুই বছর ধরে চলা গাজা সংঘাতের অবসান চুক্তির মধ্যেই এ নতুন হামলার ঘটনা ঘটল।

উল্লেখ্য, ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর হামাসের হামলায় প্রায় ১,২০০ ইসরাইলি নিহত হয় এবং ২৫১ জনকে জিম্মি করা হয়। পাল্টা অভিযানে ইসরাইলের টানা হামলায় এখন পর্যন্ত প্রায় ৬৮ হাজার ফিলিস্তিনি প্রাণ হারিয়েছেন, বলে জানিয়েছে গাজার স্বাস্থ্য কর্তৃপক্ষ।

এ ছাড়া হাজারো মানুষ এখনো ধ্বংসস্তূপের নিচে চাপা পড়ে আছে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

এনএইচ