মঙ্গলবারের অধিবেশনে দেয়া ভাষণে মস্কো ও বেইজিং উভয়েই ভেনেজুয়েলার জলসীমায় প্রবেশ বা ছেড়ে যাওয়ার জন্য অনুমোদিত তেল ট্যাঙ্কার আটকে দেয়ার বিষয়ে মার্কিন সিদ্ধান্তের সমালোচনা করে। তাদের মতে, এই পদক্ষেপ লাতিন আমেরিকাকে অস্থিতিশীল করে তুলবে এবং একটি বিপজ্জনক নজির স্থাপন করবে।
জাতিসংঘে রাশিয়ার রাষ্ট্রদূত ভ্যাসিলি নেবেনজিয়া এই অবরোধকে ‘প্রকৃত আগ্রাসন’ এবং বলপ্রয়োগের অবৈধ ব্যবহার হিসেবে বর্ণনা করেছেন।
নেবেনজিয়া কাউন্সিলকে বলেন, ‘তথাকথিত পূর্ণ অবরোধের লক্ষ্য হল সামরিক, রাজনৈতিক এবং অর্থনৈতিক চাপ প্রয়োগ করা, যার লক্ষ্য হল এমন একটি শাসনব্যবস্থা পরিবর্তন করা যা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের জন্য অসুবিধাজনক।’
তিনি আরো বলেন, ওয়াশিংটন কেবল তখনই কোনো দেশের সার্বভৌমত্বকে সম্মান করে, যখন সেই দেশের সরকার মার্কিন স্বার্থের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ হয়।
চীন রাশিয়ার সমালোচনার প্রতিধ্বনি করে, যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে ভয় দেখানোর অভিযোগ আনে।
মার্কিন বাহিনী ভেনেজুয়েলার বন্দর ছেড়ে যাওয়া কমপক্ষে দুটি জাহাজ আটক করেছে। ভেনেজুয়েলা একে আন্তর্জাতিক জলদস্যুতা বলে নিন্দা করেছে।
এনএইচ