দেশটির প্রেসিডেন্টের কার্যালয়ের বরাত দিয়ে এ তথ্য জানিয়েছে সংবাদ সংস্থা এএফপি।

ভূমিকম্পে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে দেশের উত্তর উপকূলীয় অঞ্চলগুলো। এর মধ্যে রয়েছে লা গুয়াইরা, আরাগুয়া, কারাবোবো এবং ফালকোন রাজ্য। এসব এলাকায় ভূমিকম্প ও পরবর্তী কম্পনের প্রভাব সবচেয়ে বেশি পড়েছে।

সংবাদমাধ্যম বিবিসি জানিয়েছে, প্রথম ভূমিকম্পটির মাত্রা ছিল ৭.২ এবং এর কেন্দ্রস্থল ছিল কারাবোবো অঙ্গরাজ্যে, রাজধানী কারাকাস থেকে প্রায় ২০ কিলোমিটার দূরে।

এর মাত্র ৩৯ সেকেন্ড পর আরও শক্তিশালী ৭.৫ মাত্রার দ্বিতীয় ভূমিকম্পটি আঘাত হানে বলে জানিয়েছে মার্কিন ভূতাত্ত্বিক জরিপ সংস্থা (ইউএসজিএস)।

ইউএসজিএস-এর মতে, দ্বিতীয় প্রধান ভূমিকম্পটির ফলে ব্যাপক প্রাণহানি ও ক্ষয়ক্ষতির আশঙ্কা রয়েছে; এতে ১০ হাজারেরও বেশি মানুষের মৃত্যুর শঙ্কা ৪৪ শতাংশ এবং ১ লাখেরও বেশি মানুষের মৃত্যুর শঙ্কা ৩০ শতাংশ।

ভূমিকম্পের পর জাতির উদ্দেশে ভাষণ দিয়েছেন ডেলসি রদ্রিগেজ। এ সময় তার পাশে ছিলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী দিয়োসদাদো কাবেলো এবং জাতীয় পরিষদের প্রধান ও তার ভাই হোর্হে রদ্রিগেজ। ভাষণে তিনি দেশে জরুরি অবস্থা ঘোষণা করেন।

এ ছাড়া, জরুরি পরিস্থিতি মোকাবিলার দায়িত্ব তদারকির জন্য তিনি একজন জেনারেলকে নিয়োগ দেন।

এনএইচ