রোববার দুপুর প্রায় ১টার দিকে কারাগারের ভেতরে দুই দল বন্দির মধ্যে সংঘর্ষ শুরু হয়। পরে রাতের মধ্যে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনা হয়। কিন্তু সোমবার সকালে আবারও সহিংসতা ছড়িয়ে পড়ে।
বন্দিরা কারাগারের অস্ত্রাগার ভেঙে আগ্নেয়াস্ত্র দখল করে নেয়। এরপর অতিরিক্ত ভিড়ে ঠাসা এই সংশোধনাগারের নিয়ন্ত্রণ ফিরে পেতে কর্তৃপক্ষ গুলি চালায়।
বিচারাধীন বন্দিদের একটি শক্তিশালী দল রয়েছে, তারা কারাগারের সেলের ভেতর থেকে মাদক পাচার নেটওয়ার্ক পরিচালনা ও সমর্থন করত বলে অভিযোগ রয়েছে। তাদের এই কার্যক্রমের তীব্র বিরোধিতা করছিল বন্দিদের মধ্যে আরেকটি দল। এই দু’পক্ষ সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। রোববার দুইজন বন্দি নিহত এবং প্রায় ৩৮ জন আহত হয়।
কারা কর্তৃপক্ষ পরিস্থিতি স্থিতিশীল বলে মনে করলেও, সোমবার ভোর নাগাদ নতুন করে অস্থিরতা ছড়িয়ে পড়ে। রক্ষণাবেক্ষণ শেড থেকে লুট করা সরঞ্জাম দিয়ে ভারী অস্ত্রে সজ্জিত হয়ে দাঙ্গাকারী বন্দিরা রক্ষীদের পরাস্ত করে কারাগারের প্রধান অস্ত্রাগারে হামলা চালায়।
বন্দিরা কারাগারের চত্বরে স্বয়ংক্রিয় অস্ত্র দিয়ে গুলি চালাতে শুরু করলে, এই সংঘাত মারাত্মক রূপ নেয়।
পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে একটি ব্যাপক যৌথ সামরিক ও পুলিশি অভিযান শুরু করে শ্রীলঙ্কা সরকার । ঘটনার তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।
সূত্র: আলজাজিরা
এস