গালিবাফ আরো বলেন, ‘যুদ্ধক্ষেত্রে ইরানের অর্জিত সাফল্যই বর্তমান আলোচনার ভিত্তি তৈরি করেছে।’

তিনি বলেন, ‘আগের সময়ের আলোচনার সঙ্গে বর্তমান পরিস্থিতির পার্থক্য হলো, আজ আমরা যুদ্ধক্ষেত্রে যে সাফল্য অর্জন করেছি—যা বন্ধু ও প্রতিপক্ষ উভয়ই স্বীকার করেছে—সেটিই আলোচনার পেছনে শক্তি হিসেবে কাজ করছে।’

গালিবাফ আরো বলেন, সামরিক অর্জনকে এমন একটি স্থায়ী সমঝোতায় রূপ দিতে হবে, যা ইরানের জাতীয় স্বার্থ রক্ষা করবে।

তার ভাষায়, ‘কোনো যুদ্ধ বিজয়ের মাধ্যমে শেষ হলেও, যদি তা শেষ পর্যন্ত কোনো আইনি ও রাজনৈতিক চুক্তিতে পরিণত না হয় এবং সেই বিজয় নথিভুক্ত না হয়, তাহলে সেই অর্জন দেশের জন্য তেমন কোনো সুফল বয়ে আনবে না।’

এরইমধ্যে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বহুল আলোচিত সমঝোতা স্মারক আনুষ্ঠানিকভাবে স্বাক্ষরিত হওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেছে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্র। দুই পক্ষের প্রতিনিধিরা সরাসরি উপস্থিত না হয়ে ডিজিটাল প্রযুক্তির মাধ্যমে ইলেকট্রনিক উপায়ে এই চুক্তিতে সই করেছেন। সমঝোতা স্মারকে হরমুজ প্রণালি আবার খুলে দেওয়ার কথা বলা রয়েছে। পাশাপাশি ইরানের ওপর থেকে নির্দিষ্ট কিছু আর্থিক নিষেধাজ্ঞা শিথিল করার কথা বলা হয়েছে।

এনএইচ