ইরানের আধা-সরকারি সংবাদ সংস্থা মেহের নিউজ জানায়, আগামী ৯ জুলাই উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় শহর এবং খামেনির জন্মস্থান মাশহাদে তার দাফন সম্পন্ন হবে। অত্যন্ত মর্যাদাপূর্ণ এই শেষকৃত্য অনুষ্ঠানে প্রায় ২ কোটি মানুষের সমাগম হতে পারে বলে ধারণা করছেন দেশটির ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা। খবর আল-জাজিরার
বিপুল এই জনসমাগম ও পুরো প্রক্রিয়াটি শান্তিপূর্ণ ও সুশৃঙ্খলভাবে সম্পন্ন করতে দেশটির পুলিশ প্রশাসন এবং ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি)-এর সঙ্গে যৌথভাবে কাজ করছে ইরান সরকার।
মেহের নিউজ তাদের প্রতিবেদনে অজ্ঞাতনামা কর্মকর্তাদের বরাতে জানিয়েছে, ইরানের পাশাপাশি প্রতিবেশী রাষ্ট্র ইরাকের শিয়া অধ্যুষিত পবিত্র কারবালা শহরের একটি মাজার বা উপাসনালয়েও খামেনির স্মরণে একটি বিশেষ শোকসভার পরিকল্পনা করা হচ্ছে, যদিও ইরাকের এই অনুষ্ঠানের বিষয়টি এখনও আনুষ্ঠানিকভাবে নিশ্চিত করা হয়নি।
গত ২৮ ফেব্রুয়ারি তেহরানে তার সরকারি বাসভবনে ইসরাইল ও যুক্তরাষ্ট্রের প্রথম দফার বিমান হামলার সময় ৮৬ বছর বয়সি খামেনি নিহত হন। তার মৃত্যুর পরপরই শেষকৃত্যের আয়োজন করার কথা থাকলেও নিরাপত্তার খাতিরে তা বারবার পিছিয়ে দেওয়া হয়। বিশেষ করে এই শেষকৃত্য অনুষ্ঠানে ইরানের পুরো রাজনৈতিক নেতৃত্ব এবং শীর্ষ কর্মকর্তাদের একসাথে উপস্থিত থাকার কথা রয়েছে, যা বর্তমান যুদ্ধকালীন পরিস্থিতিতে বড় ধরণের নিরাপত্তা ঝুঁকি তৈরি করতে পারত। আর এ কারণেই দীর্ঘ চার মাস পর চূড়ান্ত নিরাপত্তা নিশ্চিত করে আগামী জুলাই মাসের প্রথমার্ধে এই স্মরণসভার সূচি নির্ধারণ করা হয়েছে।
এস