রোববার (১৯ অক্টোবর) আল জাজিরার এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

গাজার সিভিল ডিফেন্স কর্তৃপক্ষের তথ্যমতে, শুক্রবার সন্ধ্যায় গাজা সিটির জায়তুন এলাকায় আবু শাহবান পরিবারের একটি বেসামরিক গাড়িতে ইসরাইলি ট্যাংকের গোলা নিক্ষেপ করা হয়। পরিবারটি তখন নিজেদের বাড়ির অবস্থা দেখতে যাচ্ছিলেন।

সিভিল ডিফেন্সের মুখপাত্র মাহমুদ বাসাল বলেন, “নিহতদের মধ্যে সাত শিশু ও তিন নারী রয়েছেন। এই হামলা প্রমাণ করে দখলদার বাহিনী এখনো রক্তপিপাসু এবং নিরীহ বেসামরিকদের বিরুদ্ধে অপরাধ চালিয়ে যাচ্ছে।”

সংস্থাটি এক বিবৃতিতে জানায়, জাতিসংঘের মানবিক বিষয়ক কার্যালয়ের (ওসিএইচএ) সহায়তায় ঘটনাস্থল থেকে নয়জনের মরদেহ উদ্ধার করা সম্ভব হয়েছে। তবে দুই শিশুর দেহাবশেষ এখনো নিখোঁজ রয়েছে, কারণ প্রচণ্ড বিস্ফোরণে তাদের দেহ ছিন্নভিন্ন হয়ে গেছে।

হামাস এই হামলাকে ‘গণহত্যা’ হিসেবে নিন্দা জানিয়ে বলেছে, কোনো প্রকার উসকানি ছাড়াই আবু শাহবান পরিবারের ওপর হামলা চালানো হয়েছে। সংগঠনটি যুক্তরাষ্ট্রসহ মধ্যস্থতাকারী দেশগুলোকে আহ্বান জানিয়েছে— ইসরাইলকে যুদ্ধবিরতি চুক্তি মেনে চলতে বাধ্য করতে।

এদিকে গাজার মিডিয়া অফিস জানিয়েছে, চলমান বন্দি বিনিময় প্রক্রিয়ার মধ্যেই শনিবার পর্যন্ত ইসরাইলি বাহিনী অন্তত ৩৮ ফিলিস্তিনিকে হত্যা করেছে। একই সঙ্গে খাদ্য ও চিকিৎসাসহ জরুরি মানবিক সহায়তা প্রবাহও কঠোরভাবে সীমিত করে দেওয়া হয়েছে।

এনএইচ