১১ বছর ধরে এবিকে হাই স্কুলে কম্পিউটার বিজ্ঞানের শিক্ষক ছিলেন দানিশ আলি। তিনি বুধবার রাতে দুই সহকর্মীর সঙ্গে ঘুরতে বেরিয়েছিলেন। বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় গ্রন্থাগারের কাছে রাত ৮ টা ৫০ মিনিটে স্কুটারে থাকা দুই ব্যক্তি তাদের থামিয়ে পিস্তল দেখিয়ে হুমকি দেয়। রাওকে কমপক্ষে তিনবার গুলি করা হয়, এরমধ্যে মাথায় দুইবার।
গুলি চালানোর আগে, একজন বন্দুকধারী দানিশকে বলেছিল, ‘তুমি আমাকে এখনো চিনতে পারোনি, এখন তুমি চিনবে।’
দানিশকে দ্রুত জওহরলাল নেহেরু মেডিকেল কলেজে নিয়ে যাওয়া হয়, তবে হাসপাতালে নেয়ার সঙ্গে সঙ্গেই তার মৃত্যু হয়। বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর মোহাম্মদ ওয়াসিম আলি সাংবাদিকদের বলেন, ‘তার মাথায় গুলি করা হয়েছিল, মেডিকেল কলেজে তার মৃত্যু হয়।’
খুনিদের শনাক্ত করতে সিসিটিভি ফুটেজ পর্যালোচনা করছে পুলিশ। উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগি আদিত্যনাথ রাজ্যের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নতির বিষয়ে গর্ব করার কয়েক ঘন্টা পরেই এই মর্মান্তিক হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটে।
গাজায় ইসরাইলের ত্রাণ অবরোধের নিন্দা এরদোয়ানেরগাজায় ইসরাইলের ত্রাণ অবরোধের নিন্দা এরদোয়ানের
এরআগে ভারতের বিহারের এক মুসলিম ফেরিওয়ালাকে নির্মমভাবে পিটিয়ে মেরে ফেলার ঘটনা ঘটেছে। গত ৫ ডিসেম্বর উগ্রবাদী হিন্দু জনতার ব্যাপক মারধরের শিকার হয় মুহাম্মদ আতহার। পিটুনির পর তাকে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন করা হলে ১২ ডিসেম্বর তার মৃত্যু হয়।
সেই রাতের ভয়াবহ ঘটনা সম্পর্কে মুহাম্মদ আতাহার হুসেইনের স্ত্রী শবনম পারভিন বলেন, ‘আমাকে আমার স্বামীর নাম জিজ্ঞাসা করেছিল। যখনই আমি জানালাম তার নাম মুহাম্মদ আতাহার হুসেইন, সঙ্গে সঙ্গেই আট-দশজন মারতে শুরু করল। আমার স্বামীকে মেরে ফেলল। আমি বিধবা হয়ে গেলাম, সন্তানরা অনাথ হয়ে গেল! এখন ওরা কাকে বাবা বলে ডাকবে? এইটুকু বলেই কেঁদে ফেলেন তিনি। এই ঘটনায় দুটো এফআইআর হয়েছে।
এনএইচ