আনাস ইবনে মালিক (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসুলুল্লাহ (স.) এই দোয়া পড়তেন-
اللَّهُمَّ إِنِّي أَعُوذُ بِكَ مِنَ الْهَمِّ وَالْحَزَنِ، وَالْعَجْزِ وَالْكَسَلِ، وَالْجُبْنِ وَالْبُخْلِ، وَضَلَعِ الدَّيْنِ، وَغَلَبَةِ الرِّجَالِ
উচ্চারণ: আল্লাহুম্মা ইন্নি আউজুবিকা মিনাল হাম্মি ওয়াল হাজানি, ওয়াল আজঝি ওয়াল কাসালি, ওয়াল জুবনি ওয়াল বুখলি, ওয়া দালাইদ্দাইনি, ওয়া গালাবাতির রিজাল।
অর্থ: হে আল্লাহ, আমি আপনার কাছে দুশ্চিন্তা ও দুঃখ, অক্ষমতা ও অলসতা, কাপুরুষতা ও কৃপণতা, ঋণের ভার এবং মানুষের প্রাধান্য থেকে আশ্রয় চাই। (সহিহ বুখারি: ৬৩৬৯)
দোয়াটিতে অলসতা থেকে মুক্তির পাশাপাশি দুশ্চিন্তা, দুঃখ, অক্ষমতা ও অন্যান্য দুর্বলতা থেকে আল্লাহর আশ্রয় চাওয়া হয়েছে। একজন মুমিনের জন্য এতে নিজের দুর্বলতা স্বীকার করে আল্লাহর সাহায্য চাওয়ার শিক্ষা রয়েছে।
ইবাদত সুন্দরভাবে আদায় করার তাওফিক পেতেও রাসুলুল্লাহ (স.) সাহাবিদের একটি দোয়া শিখিয়েছেন। মুয়াজ (রা.)-কে তিনি নামাজের পর পড়তে বলেছেন-
اللَّهُمَّ أَعِنِّي عَلَى ذِكْرِكَ وَشُكْرِكَ وَحُسْنِ عِبَادَتِكَ
উচ্চারণ: আল্লাহুম্মা আয়িন্নি আলা জিকরিকা ওয়া শুকরিকা ওয়া হুসনি ইবাদাতিকা।
অর্থ: হে আল্লাহ, আপনার জিকির, আপনার শুকরিয়া এবং সুন্দরভাবে আপনার ইবাদত করার জন্য আমাকে সাহায্য করুন। (সুনান আবু দাউদ: ১৫২২)
ইবাদতে অলসতা এলে হতাশ না হয়ে আল্লাহর কাছে সাহায্য চাওয়া এবং নিয়মিত আমলের চেষ্টা করা উচিত। অল্প হলেও ধারাবাহিকভাবে আমল করার অভ্যাস গড়ে তোলার পাশাপাশি এসব দোয়ার মাধ্যমে আল্লাহর তাওফিক চাওয়া যেতে পারে।
এমএম





