শহীদদের প্রতি সম্মান জানানোর ব্যাখ্যা দিয়ে তিনি বলেন, দেশ আমার গণতান্ত্রিক; আমার ইচ্ছায় আমি স্যালুট দিয়েছি। যতবার ইচ্ছা হবে, যখন ইচ্ছা হবে, আমি বীর মুক্তিযোদ্ধাদের স্যালুট জানাব।

রোববার রাতে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক পোস্টে ইশরাক হোসেন লিখেছেন, ‘আমার বাবা একজন গেরিলা মুক্তিযোদ্ধা ইউনিটের কমান্ডার ছিলেন। মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী হিসেবে আমি জনগণের প্রতিনিধিত্ব করেছি। এ বিষয়টি নিয়ে মুখরোচক আলোচনা বা তামাশা করার মানসিকতাই অস্বাভাবিক।’

তিনি বলেন, বীর মুক্তিযোদ্ধাদের কথা উঠলে শ্রদ্ধায় আমার হাত স্বতঃস্ফূর্তভাবে স্যালুটে উঠে যায়। আমার হাত দিয়ে আমি বীর শহীদ ও বীর মুক্তিযোদ্ধাদের স্যালুট দিয়েছি। হাত আমার, সম্মান জানিয়েছি সর্বজনশ্রদ্ধেয় বীরদের। দেশ আমার গণতান্ত্রিক; আমার ইচ্ছায় আমি স্যালুট দিয়েছি। যতবার ইচ্ছা হবে, যখন ইচ্ছা হবে, আমি বীর মুক্তিযোদ্ধাদের স্যালুট জানাব।

ইশরাক হোসেন লিখেছেন, আমাদের দেশের কিছু মানুষের এতটা সংবেদনহীন হওয়া সত্যিই দুর্ভাগ্যজনক। অসম্মান করলে বাহবা পাওয়া যায়, আর সম্মান জানালে সেটিকে নিয়ে তামাশা করা হয়। আল্লাহ সবাইকে হেদায়েত দান করুন।

এমএম