রাত ৮টার দিকে আদাবরের নবোদয় হাউজিংয়ের ১০ নম্বর রোডে গুলি করে হত্যা করা হয় ইব্রাহিম (২৯) নামের এক প্রাইভেটকার চালককে। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, মুখোশ পরা তিনজন মোটরসাইকেলে এসে ইব্রাহিমকে লক্ষ্য করে এলোপাতাড়ি গুলি চালায়। এতে ঘটনাস্থলেই তিনি নিহত হন। স্থানীয়রা ধাওয়া দিয়ে দুইজন হামলাকারী—সজীব (৩২) ও রুবেল (৩৫)—কে ধরে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর হাতে তুলে দেয়।

এর মাত্র এক ঘণ্টা পর রাত ৯টার দিকে মোহাম্মদপুরের চাঁদ উদ্যান হাউজিংয়ের ৬ নম্বর রোডে কুপিয়ে হত্যা করা হয় আল আমিন (২৭) নামে এক যুবককে। এলাকাবাসী জানায়, নিহত আল আমিন পুলিশকে সহায়তা করতেন এবং সম্প্রতি কিশোর গ্যাং ও মাদক ব্যবসার সঙ্গে জড়িত এক ব্যক্তিকে ধরিয়ে দিয়েছিলেন। এরই প্রতিশোধ নিতে কিশোর গ্যাং লিডার মোশারফ, গিট্টু ও তাদের সহযোগীরা মিলে তাকে প্রকাশ্যে কুপিয়ে হত্যা করে।

তেজগাঁও বিভাগের অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার (এডিসি) জুয়েল রানা জানান, আদাবরের হত্যাকাণ্ডে জড়িত দুজনকে আটক করা হয়েছে। মোহাম্মদপুরের ঘটনায় জড়িতদের গ্রেফতারে অভিযান চলছে।

অপরাধীদের এমন বেপরোয়া কর্মকাণ্ডে আবারও প্রশ্ন উঠছে রাজধানীর নিরাপত্তা নিয়ে। স্থানীয়রা দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন প্রশাসনের কাছে।

এনএইচ