রোববার (২৬ জুলাই) বাংলাদেশ ব্যাংকে সাংবাদিকদের এ কথা জানান কেন্দ্রীয় ব্যাংকের মুখপাত্র ও নির্বাহী পরিচালক আরিফ হোসেন খান।
তিনি বলেন, মো. সাহাবুদ্দিন সাংবিধানিকভাবে দেশের সর্বোচ্চ পদে দায়িত্ব পালন করেছেন। তাই তাকে কেন্দ্র করে পৃথক কোনো অনুসন্ধান বা তদন্তের পরিকল্পনা নেই। তবে ব্যাংকিং খাতে সুশাসন নিশ্চিত করতে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে চলমান তদন্তে কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের অনিয়মের প্রমাণ পাওয়া গেলে প্রচলিত আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
গত শুক্রবার রাষ্ট্রপতির পদ থেকে পদত্যাগ করেন মো. সাহাবুদ্দিন। এর পরদিন রোববার তিনি বঙ্গভবন ছেড়ে রাজধানীর গুলশানে নিজ বাসভবনে ওঠেন।
এদিকে এনসিপিসহ কয়েকটি বিরোধী রাজনৈতিক দল সাবেক রাষ্ট্রপতিকে দ্রুত গ্রেপ্তারের দাবি জানিয়ে আসছে। তবে এ বিষয়ে সরকার আপাতত আমলে নেওয়ার মতো কোনো উপাদান দেখেনি বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ।
রোববার সচিবালয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, সাবেক রাষ্ট্রপতির বিরুদ্ধে রাজনৈতিক দলগুলো অভিযোগ তুলতে পারে, এটি তাদের গণতান্ত্রিক অধিকার। তবে এখন পর্যন্ত সরকার আমলে নেওয়ার মতো কোনো তথ্য বা অভিযোগ পায়নি।
তিনি আরও বলেন, সংবিধান অনুযায়ী রাষ্ট্রপতি দায়িত্ব পালনকালে বিশেষ সাংবিধানিক সুরক্ষা ও দায়মুক্তি ভোগ করেন। এছাড়া দায়িত্ব ছাড়ার পরও নির্দিষ্ট সময় পর্যন্ত সাবেক রাষ্ট্রপতিকে রাষ্ট্রীয় নিরাপত্তা ও সুরক্ষা দেওয়ার বিধান রয়েছে। সে অনুযায়ী মো. সাহাবুদ্দিনও প্রয়োজনীয় নিরাপত্তা পাবেন।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর ভাষ্য, মো. সাহাবুদ্দিন সাংবিধানিক বিধান অনুযায়ী দায়িত্ব পালন করেছেন। দায়িত্ব পালনকালীন ফৌজদারি বিষয়ে তার বিরুদ্ধে আদালতে মামলা করার সুযোগ সংবিধানে নেই।
২০২৪ সালের ছাত্র-জনতার গণ-অভ্যুত্থানের পর ক্ষমতাচ্যুত শেখ হাসিনা সরকারের আমলে জাতীয় সংসদে নির্বাচিত হয়ে মো. সাহাবুদ্দিন তিন বছর তিন মাস রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করেন।
এস