বুধবার (১৩ মে) এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করেছে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়।

প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশন-এর সুপারিশের ভিত্তিতে এসব প্রার্থীকে বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিসের বিভিন্ন ক্যাডারে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।

নিয়োগপ্রাপ্তদের আগামী ১৮ মে’র মধ্যে সংশ্লিষ্ট ক্যাডার নিয়ন্ত্রণকারী মন্ত্রণালয় বা বিভাগের নির্ধারিত কার্যালয়ে যোগদান করতে বলা হয়েছে। নির্ধারিত তারিখে যোগদান না করলে তাকে চাকরিতে যোগদানে অনিচ্ছুক হিসেবে গণ্য করা হবে এবং তার নিয়োগ বাতিল হয়ে যাবে বলে প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়।

এতে আরও বলা হয়, নিয়োগপ্রাপ্তদের জ্যেষ্ঠতা অক্ষুণ্ন রাখতে তাদের ব্যাচের প্রথম নিয়োগপ্রাপ্তদের নিয়োগের তারিখ থেকেই ভূতাপেক্ষিকভাবে এ নিয়োগ কার্যকর হবে। ফলে তারা ধারণাগত জ্যেষ্ঠতা বজায় রাখলেও এ সময়ের কোনো বকেয়া আর্থিক সুবিধা পাবেন না।

উল্লেখ্য, ২৭তম বিসিএসের প্রথম মৌখিক পরীক্ষায় ৩ হাজার ৫৬৭ জন উত্তীর্ণ হন। তবে ২০০৭ সালে তত্ত্বাবধায়ক সরকার অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ তুলে ওই মৌখিক পরীক্ষার ফল বাতিল করে পুনরায় ভাইভা নেয়।

পরে প্রথম মৌখিক পরীক্ষার ফল বাতিলের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে উত্তীর্ণ প্রার্থীরা আদালতে রিট আবেদন করেন। ২০০৮ সালের ৩ জুলাই হাইকোর্ট ফল বাতিলকে বৈধ ঘোষণা করলেও পরবর্তীতে আপিল বিভাগে লিভ টু আপিল করা হয়।

দীর্ঘ আইনি প্রক্রিয়া শেষে গত বছরের ২০ ফেব্রুয়ারি আপিল বিভাগ ১ হাজার ১৩৭ জন নিয়োগবঞ্চিত প্রার্থীকে নিয়োগ দেওয়ার নির্দেশ দেন।

এর ধারাবাহিকতায় গত ১৮ ডিসেম্বর ৬৭৩ জনকে নিয়োগ দিয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছিল। এবার আরও ৯৬ জনকে নিয়োগ দেওয়ার মাধ্যমে সেই প্রক্রিয়ার আরেকটি ধাপ সম্পন্ন হলো।

এস