রোববার (৯ আগস্ট) বিকালে ফটিকছড়ির আল জামেয়াতুল ইসলামিয়া আজিজুল উলুম (বাবুনগর) মাদ্রাসা মাঠে হেফাজতে ইসলামের নেতৃবৃন্দের সাথে মতবিনিময়কালে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এসব কথা বলেন। ২০১৩ সালের ৫ ই মে ঢাকার শাপলা চত্বরে হেফাজতে ইসলামের নেতা কর্মীদের উপর আওয়ামী সরকারের হামলার বর্ণনা তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, এটি ইতিহাসে জঘন্য অধ্যায় হিসেবে রচিত থাকবে।
প্রধানমন্ত্রী আরো বলেন বর্তমান সরকার ইসলামের কল্যাণে কাজ করে যাচ্ছে। যা ইতিমধ্যে দৃশ্যমান হতে শুরু করেছে। বক্তব্যের এক পর্যায়ে প্রধানমন্ত্রী হেফাজত আমিরের উপদেশ-পরামর্শে চলার অভিমত ব্যক্ত করেন।
সংগঠনের সিনিয়র নেতৃবৃন্দের সাথে এ মতবিনিময় সভায় সভাপতিত্ব করেন হেফাজতে ইসলামের আমির মাওলানা মহিবুল্লাহ বাবুনগরী। এসময় উপস্থিত ছিলেন স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী সালাউদ্দিন আহমদ, অর্থ মন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী, ভূমি প্রতিমন্ত্রী মীর মোহাম্মদ হেলাল, স্থানীয় এমপি সরোয়ার আলমগীর, মহিলা এমপি ব্যারিস্টার শাকিলা ফারজানা, হেফাজতে ইসলামের মহাসচিব মাওলানা সাজিদুর রহমান, সিনিয়র নায়েবে আমির মাওলানা সালাউদ্দিন নানুপুরী, মুফতি খলিলুর রহমান কাছেমী, মুফতি সাখাওয়াত হোসেন রাজি, মুফতি একরাম ওদুদী, মাওলানা হাবিবুর রহমান কাছেমী, আইয়ুব বাবুনগরী প্রমুখ।
সভার শুরুতে প্রধানমন্ত্রী হেফাজত আমিরের সাথে তাঁর খাস কামরায় একান্ত বৈঠকে মিলিত হন। এর আগে প্রধানমন্ত্রী বিকাল ৩ টা ২০ মিনিটের সময় বিমান বাহিনীর একটি হেলিকপ্টারে করে উপজেলার পাইন্দং ইউনিয়নের পেলাগাজি দিঘি সংলগ্ন সিএন্ডবি মাঠে নির্মিত হেলিপ্যাডে অবতরণ করেন। সেখান থেকে সড়ক পথে নাজিরহাট পৌরসভাস্থ বাবুনগর মাদ্রাসায় পৌঁছেন।
এদিকে, প্রধানমন্ত্রীর আগমন ঘিরে ফটিকছড়িতে সকাল থেকে উৎসবমুখর পরিবেশ বিরাজ করতে থাকে। প্রধানমন্ত্রীকে স্বাগত জানাতে চট্টগ্রাম-খাগড়াছড়ি আঞ্চলিক মহাসড়কের দুই পাশে অবস্থান নেয় দলীয় নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষ।
এস