বুধবার রাজধানীর বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা কাউন্সিল (বার্ক) অডিটোরিয়ামে লাইভস্টক সার্ভিস ট্রান্সফরমেশন (এলএসটি) প্রকল্পের সম্ভাব্যতা সমীক্ষা বিষয়ক ভ্যালিডেশন কর্মশালায় তিনি এ কথা বলেন।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, মানুষের জন্য যেমন মৌলিক চাহিদা রয়েছে, প্রাণীর ক্ষেত্রেও একই ধরনের প্রয়োজন রয়েছে। তবে প্রাণিসম্পদ খাতে এখনো জনবল সংকট রয়েছে, যা দ্রুত পূরণ করা জরুরি।

তিনি বলেন, “দেশকে এগিয়ে নিতে হলে সবাইকে একসঙ্গে কাজ করতে হবে। প্রাণিসম্পদ খাত দেশের একটি বড় অর্থনৈতিক খাত। এই খাতকে আরও সমৃদ্ধ করতে সরকার ও বেসরকারি খাতকে সমন্বিতভাবে এগিয়ে আসতে হবে।”

সুলতান সালাউদ্দিন টুকু আরও বলেন, কর্মশালায় ১২টি প্রকল্প নিয়ে আলোচনা হয়েছে। সঠিক পরিচর্যা ও পরিকল্পনার মাধ্যমে প্রাণিসম্পদ খাতে উৎপাদন উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়ানো সম্ভব।

তিনি উল্লেখ করেন, খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান আত্মনির্ভরশীল জাতি গঠনের উদ্যোগ নিয়েছিলেন। বর্তমান সরকারও সেই লক্ষ্য বাস্তবায়নে কাজ করে যাচ্ছে।

কর্মশালায় মন্ত্রণালয়ের সচিব মোঃ দেলোয়ার হোসেন বলেন, প্রাণিসম্পদ খাতকে রপ্তানিমুখী শিল্পে রূপান্তরের পরিকল্পনা রয়েছে। এজন্য বড় পরিসরে নতুন প্রকল্প গ্রহণের প্রয়োজনীয়তার কথাও তুলে ধরেন তিনি।

তিনি বলেন, অন্যান্য মন্ত্রণালয়ে হাজার হাজার কোটি টাকার প্রকল্প চলমান থাকলেও প্রাণিসম্পদ খাতের সব প্রকল্প মিলিয়ে পাঁচ হাজার কোটি টাকার বেশি নয়। সাম্প্রতিক এক একনেক সভায় শুধু ওয়াসার একটি প্রকল্পের ব্যয় ছিল ১৬ হাজার কোটি টাকারও বেশি।

কর্মশালায় আরও বক্তব্য দেন শাহজামান খান। তিনি বলেন, দেশের মানুষের প্রয়োজনীয় পুষ্টি নিশ্চিত করাই সরকারের অন্যতম লক্ষ্য। পাশাপাশি বিশ্ববাজারে বাংলাদেশের হালাল পণ্যের বড় সম্ভাবনাও রয়েছে।

তিনি জানান, বর্তমানে বাংলাদেশ বছরে প্রায় ৭০ থেকে ৮০ হাজার কোটি টাকার হালাল পণ্য রপ্তানি করছে। পরিকল্পিতভাবে কাজ করলে বিশ্ববাজারে আরও বড় অবস্থান তৈরি করা সম্ভব হবে।

এস