শনিবার (৮ আগস্ট) দুপুরে সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে দুর্ঘটনায় আহতদের দেখতে যান আরিফুল হক চৌধুরী। এ সময় তিনি আহতদের চিকিৎসার খোঁজখবর নেন এবং তাদের যথাযথ চিকিৎসা নিশ্চিত করতে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষকে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেন।

পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে আরিফুল হক চৌধুরী বলেন, সরকারি অনুদান পেতে বিআরটিএর মাধ্যমে নির্ধারিত একটি ফরম হাসপাতালের পরিচালকের কাছে দেওয়া হয়েছে। আহত ও নিহতদের স্বজনদের সংশ্লিষ্ট প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে ফরম জমা দিতে হবে। এরপর নিয়ম অনুযায়ী তারা সরকারি অনুদানের টাকা পাবেন।

তিনি বলেন, সকালের দিকে মহাসড়ক ফাঁকা থাকার সুযোগে অনেক চালকের মধ্যে দ্রুতগতিতে গাড়ি চালানো ও প্রতিযোগিতার মনোভাব তৈরি হয়। এটি নিয়ন্ত্রণে আনা হবে। ফ্লাইওভারে যেভাবে গতি নিয়ন্ত্রণ করা হয়, একইভাবে মহাসড়কেও হাইওয়ে পুলিশ ও প্রশাসনের মাধ্যমে গতি নিয়ন্ত্রণের ব্যবস্থা বাস্তবায়ন করা হবে।

ওসমানীনগর ও তাজপুর সড়কে সাম্প্রতিক সময়ে একাধিক দুর্ঘটনার কথা উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, এসব দুর্ঘটনা রোধে প্রশাসন প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেবে। একই সঙ্গে বেপরোয়া গাড়ি চালানো থেকে বিরত থাকতে চালকদের প্রতি আহ্বান জানান তিনি।

সিলেট-শেরপুর সড়কের অংশে ঘনঘন দুর্ঘটনার বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের ছয় লেন প্রকল্পের জন্য জমি অধিগ্রহণের কাজ প্রায় শেষের দিকে। বৃষ্টিসহ নানা কারণে প্রকল্পের কাজে কিছুটা বিলম্ব হচ্ছে। তবে সেপ্টেম্বর-অক্টোবরে প্রকল্পের কাজ দৃশ্যমান হবে বলে আশা প্রকাশ করেন মন্ত্রী।

আরিফুল হক চৌধুরী বলেন, প্রধানমন্ত্রী নির্বাচনের আগে থেকেই ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের উন্নয়নের বিষয়ে আগ্রহী ছিলেন। এলাকার সংসদ সদস্য ও মন্ত্রীরাও বিষয়টি নিয়ে সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে কাজ করছেন। মাটি ভরাটের কাজ সময়সাপেক্ষ হলেও বিদ্যমান সড়ক দ্রুততম সময়ের মধ্যে সংস্কারের কাজ শুরু করতে সংশ্লিষ্টদের তাগিদ দেওয়া হয়েছে।

এমএম