অতীতের প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগে পুলিশ ভেরিফিকেশনের পর আলাদাভাবে এনএসআই এর রিপোএর্টর কোনও নজির দেখা যায়নি। পুলিশ ভেরিফিকেশন সম্পন্ন হওয়ার পর নিয়োগপত্র দেওয়ার কথা এখন নতুন করে এসএসআইয়ের রিপোর্ট যুক্ত করার কারণ কী?
আমরা স্পষ্টভাবে বলতে চাই, আমরা রাস্তায় নামতে চাই না। আমরা শিক্ষক। আমাদের দাবি রাজপথে নয়, শ্রেণিকক্ষে। আমরা আন্দোলন নয়, পাঠদান করতে চাই। আমরা শিক্ষার্থীদের মাঝে থাকতে চাই। কিন্তু চূড়ান্ত সুপারিশপ্রাপ্ত সহকারী শিক্ষকদের সঙ্গে কোনও ধরনের বৈষম্য, বিধিমালা বহির্ভূত সিদ্ধান্ত বা অযৌক্তিক শর্ত আরোপ করা হলে তা কেউ সহজভাবে মেনে নেবে না। দীর্ঘ পাঁচ মাসের অপেক্ষা, অনিশ্চয়তা ও প্রশাসনিক জটিলতার কারণে আমাদের মধ্যে ইতোমধ্যে চরম অসন্তোষ সৃষ্টি হয়েছে। দ্রুত বিদ্যালয়ে পদায়ন নিশ্চিত করা হলে এই অসন্তোষ দূর হবে।
কিন্তু এর পরিবর্তে যদি নতুন কোনও অনিশ্চয়তা, বৈষম্য বা জটিলতা সৃষ্টি করা হয়, তাহলে সেই অসন্তোষ আরও গভীর ক্ষোভের রূপ নিতে পারে। আমরা চাই না পরিস্থিতি সেদিকে যাক। আমরা সরকারকে সহযোগিতা করতে চাই। আমরা চাই সরকারও আমাদের সহযোগিতা করুক। আমরা কোনও প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করতে চাই না।
আমরা বিশ্বাস করি, এই সমস্যার সমাধান এবং নিয়োগ কার্যক্রম দ্রুত সম্পন্ন করার ক্ষেত্রে সরকারের সর্বোচ্চ পর্যায়ের সদয় দৃষ্টি ও কার্যকর হস্তক্ষেপ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। বিশেষভাবে আমরা প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি। আজ সাড়ে ১৪ হাজার পরিবারের পক্ষ থেকে আমরা তার সদয় হস্তক্ষেপ কামনা করছি।