সোমবার (৩ নভেম্বর) উত্তরায় ডিএমটিসিএলের সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ কথা বলেন তিনি।
ফারুক আহমেদ বলেন, ইনসিডেন্টের পরে আমরা নিজেরা ইনভলভ হয়েছি ওই ভিক্টিমের সঙ্গে। যতটুকু করার, তার হাসপাতাল নেওয়া থেকে শুরু করে জানাজা পর্যন্ত যত কিছু আছে, আমাদের ডিএমটিসিএল এবং মিনিস্ট্রি থেকে উভয়ে মিলে সব কিছু অ্যারেঞ্জ করেছি। আর কিছু সাহায্য হিসেবে উপদেষ্টা স্যার মিনিস্ট্রি থেকে দিয়েছেন। এবং অনেকে এটাকে জীবনের মূল্য বলছেন, আসলে এটা জীবনের মূল্য হিসেবে দেওয়া হয়নি। ওটা তাকে ইমিডিয়েট সাহায্য হিসেবে দেওয়া হয়েছে।
তিনি বলেন, আর আমরা লং যে সলিউশনটা খুঁজেছি, ওনার ফ্যামিলিকে কীভাবে পারমানেন্টলি সাহায্য করা যায়, সেজন্য ওনার ওয়াইফের সঙ্গে গত সপ্তাহে আমার মিটিং হয়েছে। ওনার যোগ্যতা অনুযায়ী ইমিডিয়েট একটা চাকরির ব্যবস্থা করা হয়েছে। তিনি যখন তার সার্টিফিকেট এবং ন্যাশনাল আইডেন্টিটি কার্ড, সবকিছু দিয়ে দেবেন (হয়ত অফিসে পৌঁছে গেছে), এটা দেওয়ার পরে আমরা তার জন্য চাকরির ব্যবস্থা করছি।
ডিএমটিসিএল ব্যবস্থাপনা পরিচালক বলেন, ওনার হয়ত আরও ছয় মাস লাগবে অনার্স কমপ্লিট করতে। অনার্স কমপ্লিট করলে, ওই যোগ্যতা অনুযায়ী যতটুকু চাকরিতে তাকে পদোন্নতি দেওয়া যায় বা করা যায়, ওই ব্যবস্থা রাখা হয়েছে, প্রভিশন রাখা হয়েছে।
এনএইচ