মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) বিকেলে বাংলাদেশ সচিবালয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সম্মেলনকক্ষে ঢাকা মহানগরীর মেগা প্রকল্পসংক্রান্ত এক সভা শেষে সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের জবাবে এসব কথা বলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।
সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, রাজধানীর বিভিন্ন স্থানে সম্প্রতি সংঘটিত ঝটিকা মিছিল ও ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনায় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিচ্ছে। বিশেষ করে গুলশান ও হাইকোর্ট-সংলগ্ন এলাকায় ঘটে যাওয়া ঘটনাগুলোর সিসিটিভি ফুটেজ বিশ্লেষণ করা হয়েছে। এসব ফুটেজের মাধ্যমে ঘটনায় জড়িতদের ইতোমধ্যে শনাক্ত করা হয়েছে বলে জানান তিনি।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর ভাষ্য, নিষিদ্ধ ঘোষিত রাজনৈতিক শক্তির সঙ্গে সংশ্লিষ্ট দুষ্কৃতকারীরা হঠাৎ মিছিল বের করে এবং ককটেল বিস্ফোরণের মতো ঘটনা ঘটিয়ে সাধারণ মানুষের মধ্যে আতঙ্ক সৃষ্টি করার চেষ্টা করছে। তবে এ ধরনের কর্মকাণ্ড দীর্ঘস্থায়ী কোনো প্রভাব ফেলতে পারবে না বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
তিনি বলেন, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে সতর্ক রাখা হয়েছে। কোথাও নাশকতার চেষ্টা হলে তা প্রতিহত করা হবে এবং ঘটনায় জড়িতদের আইনের আওতায় আনা হবে।
রাজধানীর নিরাপত্তা পরিস্থিতি নিয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী আরও জানান, গুরুত্বপূর্ণ এলাকা ও স্থাপনাগুলোতে নজরদারি জোরদার করা হয়েছে। সিসিটিভি ফুটেজসহ বিভিন্ন প্রযুক্তিগত তথ্যের ভিত্তিতে অপরাধীদের শনাক্ত করার পাশাপাশি তাদের বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।
এদিকে, মঙ্গলবারের সভায় মূলত ঢাকা মহানগরীতে চলমান এবং ভবিষ্যতে বাস্তবায়ন হতে যাওয়া বিভিন্ন মেগা প্রকল্পের নির্মাণকাজকে কেন্দ্র করে সৃষ্ট যানজট নিরসন ও ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা স্বাভাবিক রাখার বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়।
স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সম্মেলনকক্ষে অনুষ্ঠিত সভায় সংশ্লিষ্ট সরকারি সংস্থা, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী এবং বিভিন্ন অংশীজনের প্রতিনিধিরা অংশ নেন। মেগা প্রকল্পগুলোর নির্মাণকাজ চলাকালে যাতে নগরবাসীর স্বাভাবিক চলাচল ব্যাহত না হয়, সে বিষয়ে সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোর মধ্যে সমন্বয় বাড়ানোর ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়।
সভায় প্রকল্প বাস্তবায়নের সময় সড়কে যান চলাচল স্বাভাবিক রাখা, নির্মাণকাজের কারণে সৃষ্ট প্রতিবন্ধকতা কমানো এবং ট্রাফিক ব্যবস্থাপনায় সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোর সমন্বিত উদ্যোগ প্রয়োজন।
এমএম





