শনিবার (২৭ জুন) হাতিরঝিল এলাকায় পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম পরিদর্শন শেষে গণমাধ্যমকর্মীদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, দীর্ঘদিন ধরে রাজধানীর লেকগুলো অব্যবস্থাপনার মধ্যে ছিল। এ পরিস্থিতির পরিবর্তনে সংশ্লিষ্ট সব সংস্থার সঙ্গে দফায় দফায় বৈঠক হয়েছে। এখন সমন্বিতভাবে উন্নয়ন কার্যক্রম বাস্তবায়ন করা হচ্ছে।
তিনি আরও বলেন, আগামী এক বছরের মধ্যে ধানমন্ডি লেক সুন্দর একটি লেকে পরিণত হবে। অন্যদিকে প্রায় এক মাস ধরে হাতিরঝিল লেকে উন্নয়ন ও পরিচ্ছন্নতার কাজ চলছে। আমরা নিয়মিত এ কার্যক্রম পরিদর্শন ও তদারকি করছি।
হাতিরঝিলের পরিবেশ আরও আকর্ষণীয় ও নিরাপদ করতে বিভিন্ন উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে জানিয়ে মীর শাহে আলম বলেন, সেখানে আলোকসজ্জার ব্যবস্থা করা হয়েছে। লেকের দুই পাশে মাটি ফেলে সৌন্দর্যায়নের কাজ চলছে। পাশাপাশি সন্ধ্যার পর যাতে কোনো হকার সেখানে বসতে না পারে, সেজন্য আনসার সদস্য মোতায়েনের বিষয়টিও বিবেচনা করা হচ্ছে।
ডেঙ্গু পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে প্রতিমন্ত্রী বলেন, সরকার ডেঙ্গু প্রতিরোধে বিভিন্ন কর্মসূচি বাস্তবায়ন করছে। তবে এডিস মশার লার্ভার উপস্থিতি অত্যন্ত উদ্বেগজনক।
তিনি আরও বলেন, রেস্টুরেন্ট, বাসাবাড়ি ও বিভিন্ন কোয়ার্টারে ৫০ শতাংশের বেশি স্থানে এডিস মশার লার্ভা পাওয়া গেছে। ডেঙ্গু প্রতিরোধে শুধু সরকারের উদ্যোগই যথেষ্ট নয়, নগরবাসীকেও নিজ নিজ অবস্থান থেকে সচেতন হয়ে কাজ করতে হবে।
শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে পরিচ্ছন্নতা নিশ্চিত করতে প্রতি শনিবার উপজেলা পর্যায়ের সব স্কুল ও কলেজে পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম পরিচালনা করা হবে বলেও জানান প্রতিমন্ত্রী। তিনি বলেন, এটি জাতীয় পর্যায়ের কর্মসূচির অংশ।
মীর শাহে আলম বলেন, সরকার দেশের মানুষকে একটি পরিচ্ছন্ন, নিরাপদ ও বাসযোগ্য পরিবেশ উপহার দিতে কাজ করছে। আমরা বাংলাদেশকে সিঙ্গাপুর বানাতে চাই না। তবে অবশ্যই একটি বাসযোগ্য দেশ হিসেবে গড়ে তুলতে চাই।
এস