বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) সচিবালয়ে স্থানীয় সরকার বিভাগের আওতাধীন দপ্তর, সংস্থা ও প্রতিষ্ঠানে ছাদভিত্তিক সৌরবিদ্যুৎ প্যানেল স্থাপন এবং অফিসগুলোতে সৌরবিদ্যুতের ব্যবহার নিয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, রমজান, এসএসসি পরীক্ষা এবং ডিসেম্বরের বার্ষিক পরীক্ষার বিষয়গুলো বিবেচনায় নিয়ে ইসি নির্বাচনের সময়সূচি নির্ধারণ করতে পারে। ভোটকেন্দ্র হিসেবে বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ব্যবহারের বিষয়টিও বিবেচনায় নেওয়া হয়েছে।
চলতি বছর স্থানীয় সরকার নির্বাচন শুরু হবে কিনা এমন প্রশ্নের জবাবে মীর শাহে আলম বলেন, ইসির দেওয়া সময়সীমা অনুযায়ী তার কাছে মনে হচ্ছে, নির্বাচন আগামী বছর শুরু হতে পারে। তবে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত ইসিকেই নিতে হবে।
তিনি বলেন, এ মাসের শেষ দিকে অথবা অক্টোবরের প্রথম সপ্তাহে আন্তঃমন্ত্রণালয় পর্যায়ে আবার বৈঠক হতে পারে। সেখানে বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের প্রতিনিধিরা থাকবেন এবং ইসি নির্বাচনের সময়সূচি চূড়ান্ত করবে।
প্রতিমন্ত্রী জানান, সরকারের পক্ষ থেকে চাওয়া হচ্ছে, চলতি অর্থবছরের মধ্যেই স্থানীয় সরকারের নির্বাচনগুলো শেষ করা হোক। তবে নির্বাচনের শুরুটা কখন হবে, তা সরকার নির্ধারণ করবে না।
পাঁচ ধরনের স্থানীয় সরকার নির্বাচন শেষ করতে ইসির প্রাথমিক হিসাবে প্রায় ছয় হাজার কোটি টাকা প্রয়োজন হতে পারে বলে জানান মীর শাহে আলম। এর মধ্যে ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে প্রায় দুই হাজার ৭০০ থেকে দুই হাজার ৮০০ কোটি টাকা এবং উপজেলা নির্বাচনে দুই হাজার ২০০ থেকে দুই হাজার ৩০০ কোটি টাকা ব্যয় হতে পারে।
পৌরসভা ও সিটি করপোরেশন নির্বাচনে তুলনামূলক কম অর্থ প্রয়োজন হবে বলে জানান তিনি। তার ভাষ্য, সম্ভাব্য এ ব্যয়ের পরিমাণের কাছাকাছি অর্থ দেওয়ার প্রস্তুতি সরকারের রয়েছে। তবে চূড়ান্ত হিসাবের সঙ্গে এর কিছুটা কমবেশি হতে পারে।
জ্বালানি তেলের দাম বাড়ার প্রভাব স্থানীয় সরকার নির্বাচনে পড়বে কিনা জানতে চাইলে প্রতিমন্ত্রী বলেন, এখনই এ বিষয়ে কোনো মন্তব্য করা কঠিন। কারণ নির্বাচনের দিনক্ষণই এখনো ঠিক হয়নি।
সম্প্রতি জ্বালানি তেলের দাম বাড়ায় স্থানীয় সরকার নির্বাচনে প্রার্থীদের জয়ের ক্ষেত্রে ঝুঁকি তৈরি হতে পারে- প্রধানমন্ত্রীর তথ্য উপদেষ্টার এমন বক্তব্যের বিষয়ে জানতে চাইলে প্রতিমন্ত্রী বলেন, এ প্রশ্নটা ওনাকে করলেই ভালো হতো। যেহেতু উনি মনে করছেন, এ ব্যাপারে আমি উত্তর দেব না।
তিনি আরও বলেন, এখনো নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা হয়নি এবং আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো প্রার্থীও হননি। তাই প্রার্থীদের জন্য ঝুঁকি তৈরি হয়েছে কি না, তা বলার সময় এখনো আসেনি। নির্বাচন হলে তখন মানুষের প্রতিক্রিয়া বোঝা যাবে।
এনএইচ





