সাক্ষাতে বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রী আফরোজা খানম এবং প্রতিমন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত উপস্থিত ছিলেন। এ ছাড়া বাংলাদেশে নিযুক্ত তুরস্কের রাষ্ট্রদূত রামিস সেন এবং মন্ত্রণালয়ের সচিব ফাহমিদা আখতারও সভায় অংশ নেন।
সভায় সেলেবি এভিয়েশনের প্রতিনিধিরা বাংলাদেশের বিমানবন্দরের সেবার মানোন্নয়নে গ্রাউন্ড হ্যান্ডলিং কার্যক্রমে কাজ করার আগ্রহ প্রকাশ করেন। এ সময় মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রী গ্রাউন্ড হ্যান্ডলিং কোম্পানি নিয়োগের ক্ষেত্রে সেলেবি এভিয়েশনকে অগ্রাধিকার দেওয়ার আশ্বাস দেন।
আলোচনায় মন্ত্রী আফরোজা খানম দেশের পর্যটন খাতের উন্নয়নে কক্সবাজার বিমানবন্দর আন্তর্জাতিকীকরণের ওপর গুরুত্বারোপ করেন এবং এর গ্রাউন্ড হ্যান্ডলিং কার্যক্রমে সেলেবি এভিয়েশনের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন। অন্যদিকে প্রতিমন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত যাত্রীসেবার মানোন্নয়নে কোম্পানিটির পক্ষ থেকে একটি কনসেপ্ট পেপার আহ্বান করেন।
অব্যবহৃত বিমানবন্দর : ঘুমিয়ে থাকা সম্পদ, জাগ্রত অর্থনীতির সম্ভাবনা
এ ছাড়া দেশের পর্যটন খাতের উন্নয়নে পাবলিক-প্রাইভেট পার্টনারশিপ মডেলে বাংলাদেশ ও তুরস্ক একসঙ্গে কাজ করার আশাবাদ ব্যক্ত করা হয়।
এমএম