সৌদি সরকারের সঙ্গে চুক্তি অনুযায়ী, আগামী বছর বাংলাদেশ থেকে এক লাখ ২৭ হাজার ১৯৮ জন হজে অংশ নেওয়ার সুযোগ পাবেন। অর্থাৎ এখনো প্রায় ৫৩ হাজার ৭৮২ জনের কোটা খালি রয়েছে।

ধর্ম মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছর ২৭ জুলাই থেকে হজ নিবন্ধন শুরু হয় এবং ১৬ অক্টোবর পর্যন্ত সময়সীমা নির্ধারিত ছিল। তবে নির্ধারিত সময় বাড়িয়েও কাঙ্ক্ষিত সাড়া পাওয়া যায়নি।

বিশ্লেষকদের মতে, এ বছর হজ প্যাকেজের উচ্চমূল্য, বিমান ভাড়ার বৃদ্ধি, আর্থিক চাপ এবং বর্তমান অর্থনৈতিক পরিস্থিতির কারণে অনেক আগ্রহী মুসলমান নিবন্ধন থেকে বিরত থেকেছেন।

২০২৫ সালের হজের জন্য সরকার তিনটি প্যাকেজ ঘোষণা করেছে—

  • প্যাকেজ–১ (বিশেষ): ৬ লাখ ৯০ হাজার ৫৯৭ টাকা
  • প্যাকেজ–২: ৫ লাখ ৫৮ হাজার ৮৮১ টাকা
  • প্যাকেজ–৩: ৪ লাখ ৬৭ হাজার ১৬৭ টাকা

অন্যদিকে, হজ এজেন্সিস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (হাব) বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় সর্বনিম্ন ৫ লাখ ১০ হাজার টাকায় সাশ্রয়ী প্যাকেজ ঘোষণা করেছে।

হাবের মহাসচিব ফরিদ আহমেদ মজুমদার বলেন, “ওমরাহ পালনের প্রবণতা বৃদ্ধির পাশাপাশি আর্থিক সীমাবদ্ধতা ও বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতির কারণে এবার হজ নিবন্ধনে সাড়া কিছুটা কম।”

অন্যদিকে, আল-কুতুব হজ ট্রাভেলসের স্বত্বাধিকারী হাবিবুল্লাহ মুহাম্মাদ কুতুবুদ্দীন মনে করেন, “অগ্রিম বিমানের ভাড়া ও প্রাথমিক নিবন্ধন ফি অনেক বেশি নির্ধারণ করায় অনেকেই নিবন্ধন থেকে সরে গেছেন।”

ধর্ম মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, এবার আর নিবন্ধনের সময় বৃদ্ধি করা হবে না। চাঁদ দেখা সাপেক্ষে আগামী বছরের ২৬ মে পবিত্র হজ অনুষ্ঠিত হবে।

এনএইচ