বৃহস্পতিবার (১০ সেপ্টেম্বর) পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক বিবৃতিতে বাংলাদেশের এ অবস্থান জানানো হয়।
বিবৃতিতে বলা হয়, ইসরাইলের বসতি নির্মাণ কার্যক্রম আন্তর্জাতিক আইন ও জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের সংশ্লিষ্ট প্রস্তাবের সরাসরি লঙ্ঘন। এ ধরনের কর্মকাণ্ড ফিলিস্তিনের স্বাধীন রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার সম্ভাবনাকে আরও ক্ষতিগ্রস্ত করছে।
বাংলাদেশ জানিয়েছে, ফিলিস্তিনি জনগণের বৈধ ও অবিচ্ছেদ্য অধিকারের প্রতি ঢাকার সমর্থন অব্যাহত রয়েছে। ১৯৬৭ সালের আগের সীমানার ভিত্তিতে পূর্ব জেরুজালেমকে রাজধানী করে একটি স্বাধীন ও সার্বভৌম ফিলিস্তিন রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার অধিকারকেও সমর্থন করে বাংলাদেশ।
ঢাকার মতে, ইসরাইলের বসতি সম্প্রসারণ শুধু আন্তর্জাতিক আইনের পরিপন্থী নয়, এটি অধিকৃত ফিলিস্তিনি ভূখণ্ডের অখণ্ডতাকেও ক্ষতিগ্রস্ত করছে। পাশাপাশি কার্যকর দ্বিরাষ্ট্রভিত্তিক সমাধানের পথ আরও কঠিন করে তুলছে।
ফিলিস্তিন রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার সম্ভাবনাকে ক্ষতিগ্রস্ত করে—এমন কর্মকাণ্ড বন্ধে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে আরও জোরালো কূটনৈতিক উদ্যোগ নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছে বাংলাদেশ।
একই সঙ্গে আন্তর্জাতিক আইন ও দ্বিরাষ্ট্রভিত্তিক সমাধানের ভিত্তিতে মধ্যপ্রাচ্যে ন্যায়সংগত, পূর্ণাঙ্গ ও দীর্ঘস্থায়ী শান্তি প্রতিষ্ঠায় কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে।
বিবৃতিতে ফিলিস্তিনি জনগণের প্রতি সংহতি প্রকাশের পাশাপাশি তাদের স্বাধীনতা, মর্যাদা, ন্যায়বিচার ও রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার বৈধ আকাঙ্ক্ষার প্রতি বাংলাদেশের সমর্থন পুনর্ব্যক্ত করা হয়েছে।
এস
