রোববার এ-সংক্রান্ত একটি প্রজ্ঞাপন জারি করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক।
সার্কুলারে বলা হয়েছে, চলতি বছরের ১ জুলাই থেকে আগামী বছরের ৩০ জুন পর্যন্ত জাহাজিকৃত পণ্যের ক্ষেত্রে পণ্যভেদে ০.৩০ শতাংশ থেকে সর্বোচ্চ ১০ শতাংশ পর্যন্ত রপ্তানি প্রণোদনা ও নগদ সহায়তা প্রযোজ্য হবে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে রপ্তানি আয় দেশে প্রত্যাবাসন এবং বিদ্যমান বৈদেশিক মুদ্রা বিধি ও প্রয়োজনীয় কাগজের শর্ত পূরণ সাপেক্ষে এই সুবিধা পাওয়া যাবে।
গত ২০২৫-২৬ অর্থবছরেও একই ৪৩টি খাতে এই সুবিধা কার্যকর ছিল।
সার্কুলার অনুযায়ী, চলতি অর্থবছরে রপ্তানিমুখী দেশীয় বস্ত্র খাতে শুল্ক বন্ড ও ডিউটি ড্র-ব্যাক সুবিধার পরিবর্তে বিকল্প হিসেবে ১.৫০ শতাংশ নগদ সহায়তা দেওয়া হবে। ইউরো অঞ্চলে বস্ত্র রপ্তানিকারকেরা বিদ্যমান ১.৫০ শতাংশের অতিরিক্ত বিশেষ সহায়তা হিসেবে আরও ০.৫০ শতাংশ পাবেন।
এ ছাড়া হাতে তৈরি হোগলা, খড়, আখ বা নারকেলের ছোবড়া দিয়ে তৈরি পণ্য রপ্তানিতে ৬ শতাংশ, গরু ও মহিষের নাড়িভুঁড়ি দিয়ে তৈরি পণ্য রপ্তানিতে ৬ শতাংশ এবং হিমায়িত মাছ রপ্তানিতে ১.৫০ থেকে ৮ শতাংশ পর্যন্ত প্রণোদনা দেওয়া হবে। কৃষিপণ্য ও আলু রপ্তানিতে ১০ শতাংশ, হালকা প্রকৌশল পণ্য ও হালাল মাংস রপ্তানিতে ১০ শতাংশ, সাভার চামড়া শিল্পনগরী থেকে উৎপাদিত পণ্যে ৬ শতাংশ, পিইটি বোতল রপ্তানিতে ৬ শতাংশ, জাহাজ রপ্তানিতে ৬ শতাংশ, পাটকাঠি থেকে উৎপাদিত জুট পার্টিকেল বোর্ডে ৮ শতাংশ, ফার্নিচারে ৮ শতাংশ এবং প্লাস্টিক পণ্য ও দেশে উৎপাদিত কাগজ রপ্তানিতে ৬ শতাংশ নগদ সহায়তা দেওয়া হবে। এ ছাড়া আগর রপ্তানিতে ৮ শতাংশ, দেশে উৎপাদিত ওষুধ রপ্তানিতে ৫ শতাংশ, সিনথেটিক ব্যাগ ও জুতা রপ্তানিতে ৮ শতাংশ এবং সফটওয়্যার ও তথ্যপ্রযুক্তি পণ্য রপ্তানিতে ২.৫০ থেকে ৬ শতাংশ পর্যন্ত প্রণোদনা মিলবে।
তা ছাড়া মোটরসাইকেল, রেজার ব্লেড, কাঁকড়া, কুচে ও সিরামিক পণ্য রপ্তানিতে ৬ শতাংশ, টুপি রপ্তানিতে ৭ শতাংশ, রাসায়নিক পণ্যে ৫ শতাংশ এবং চা রপ্তানিতে ২ শতাংশ নগদ সহায়তা দেওয়া হবে। সিমেন্ট শিট রপ্তানিতেও ৩ শতাংশ প্রণোদনা মিলবে।
এস