সাভারে রাণা প্লাজা ভবন ধ্বসে ক্ষতিগ্রস্ত গার্মেন্টস কর্মীদের আরও আর্থিক সহায়তা প্রদানে বিদেশীদের প্রতি আহবান জানিয়েছেন বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ।
আজ রাজধানীতে কানাডিয়ান হাই-কমিশনারের অফিসিয়াল রেসিডেন্সে "বাংলাদেশের গার্মেন্টস শ্রমিকদের জীবন ও সংগ্রাম' শীর্ষক এক ছবি প্রদর্শন অনুষ্ঠানে বক্তৃতাকালে বাণিজ্যমন্ত্রী এ আহবান জানান।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন কানাডার হাই-কমিশনার হিদার ক্রুডেন, ব্রিটিশ হাই-কমিশনার রবার্ট উইনিংটন গিবসন, নেদারল্যান্ডের রাষ্ট্রদূত গারবান এস ডি জং, ইউরোপীয় ইউনিয়নের রাষ্ট্রদূত উইলিয়াম হান্না, গার্মেন্টস মালিকদের সংগঠন এবং বিভিন্ন সামাজিক ও মানবাধিকার সংগঠনের নেতৃবৃন্দ ।
বিদেশী রাষ্ট্রদূতরা গার্মেন্টস শিল্পের সাথে জড়িত শ্রমিকদের কর্মস্থলে নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সরকারকে আরও বেশি যত্মবান হওয়ার আহবান জানান। পাশাপাশি এখনও রানা প্লাজার মতো কোন ঝুকিঁপূর্ণ ভবনে গার্মেন্টস কারখানা আছে কীনা সেটা খতিয়ে দেখারও পরামর্শ দেন।
বাংলাদেশের গার্মেন্টস শ্রমিকদের জীবনমানের উন্নয়নে অতীতের মতো ভবিষ্যতেও সাহায্য অব্যাহত থাকবে বলে বিদেশী রাষ্ট্রদূতরা আশ্বস্ত করেন।
পরে বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়ল আহমেদ বলেন, দুর্ঘটনা নতুন কিছু নয়। শুধু বাংলাদেশই নয়, পৃথিবীর বহু দেশে দুর্ঘটনার কবলে পড়ছে মানুষ। রানা প্লাজার দুর্ঘটনাও সেরকম একটি দুর্ঘটনা। তবে এমন দুর্ঘটনা কখনোই কাম্য নয়।
রানা প্লাজা ভবনের মতো ভয়াবহ দুর্ঘটনার কবলে ভবিষ্যতে যাতে আর কোন শ্রমিক না পড়েন, সেজন্য পরিদর্শক টিম গঠনসহ সম্ভাব্য সব ব্যবস্থা সরকার গ্রহণ করেছে বলেও বাণিজ্যমন্ত্রী আশ্বস্ত করেন।
অনুষ্ঠানে ফটো সাংবাদিক এন্ড্রিউ বিরাজ বলেন, রানা প্লাজা ভবন ধ্বসের ছবি তোলা তার জীবনের এমন একটি ঘটনা যার জন্য তিনি কখনো প্রস্তুত ছিলেন না। ভবিষ্যতে যেন এমন ভয়াবহ দৃশ্যের ছবি তাকে আর ক্যামেরাবন্দী করতে না হয় সেজন্য কর্তৃপক্ষকে সতর্ক থাকারও আহবান জানান তিনি।
[b]ঢাকা, ২২ এপ্রিল (টাইমনিউজবিডি.কম)// কেবি [/b]
রানা প্লাজায় ক্ষতিগ্রস্তদের সাহায্যে বিদেশীদের প্রতি বাণিজ্য মন্ত্রীর আহবান
সাভারে রাণা প্লাজা ভবন ধ্বসে ক্ষতিগ্রস্ত গার্মেন্টস কর্মীদের আরও আর্থিক সহায়তা প্রদানে বিদেশীদের প্রতি আহবান জানিয়েছেন বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ
ঢাকা-ওয়াশিংটন অর্থনৈতিক সমীকরণ বাণিজ্য চুক্তির আড়ালে বড়ো বৈষম্য ও জ্বালানি নিরাপত্তার চ্যালেঞ্জ?
মীর্জা মসিউজ্জামান : গণতান্ত্রিক রূপান্তর ও নতুন রাজনৈতিক সরকারের সূচনার মধ্য দিয়ে বাংলাদেশ ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যকার সম্পর্কে নতুন গতিশীলতা এসেছে। তবে ভূরাজনৈতিক অস্থিরতা, বিশ্ববাজারের জ্বালানি সংকট এবং দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য চুক্তির কারণে সৃষ্ট অর্থনৈতিক চাপে এক জটিল সন্ধিক্ষণ পার করছে ঢাকা। একদিকে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাণিজ্য ঘাটতি কমাতে বিপুল অঙ্কের পণ্য আমদানির বাধ্যবাধকতা, অন্যদিকে দেশের ভেতরে বিদেশি বিনিয়োগ (এফডিআই) প্রবাহ কমে যাওয়ায় নীতিগত চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হয়েছে নতুন সরকার।
বাণিজ্য উত্তেজনার মধ্যেই ভারতে যাচ্ছেন মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী
বাণিজ্য নিয়ে মতপার্থক্য এবং রাশিয়ার কাছ থেকে ভারতের তেল কেনা নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের অসন্তোষের মধ্যেই আগামী সপ্তাহে ভারত সফরে যাচ্ছেন মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও। সফরে দুই দেশের জ্বালানি সহযোগিতা, কৌশলগত সম্পর্ক এবং বাণিজ্যিক যোগাযোগ আরও জোরদার করার বিষয়ে আলোচনা করবেন তিনি।
তিস্তা প্রকল্পে সহায়তা মুক্ত বাণিজ্যে আগ্রহী নেদারল্যান্ডস
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন নেদারল্যান্ডসের বৈদেশিক বাণিজ্য ও উন্নয়ন সহযোগিতাবিষয়ক মন্ত্রী শুর্ত শুর্তসমা।
ভিসা সহজীকরণ, বাণিজ্য বৃদ্ধিসহ বহুমাত্রিক সহযোগিতা জোরদারে গুরুত্বারোপ
বাংলাদেশ ও ইন্দোনেশিয়ার মধ্যে ভিসা ও ভ্রমণ প্রক্রিয়া আরও সহজ করা, বাণিজ্য সম্প্রসারণ এবং বিভিন্ন খাতে সহযোগিতা বাড়ানোর বিষয়ে আলোচনা হয়েছে। একই সঙ্গে বাংলাদেশি নাগরিকদের জন্য অন-অ্যারাইভাল ভিসা পুনরায় চালু এবং দুই দেশের মধ্যে সরাসরি ফ্লাইট চালুর বিষয়েও গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।
ট্রাম্প-মোদি ফোনালাপের পরও ভারত-যুক্তরাষ্ট্র বাণিজ্য চুক্তি অনিশ্চিত
ভারত ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে বহুল প্রত্যাশিত বাণিজ্য চুক্তি শিগগিরই সম্পন্ন হওয়ার সম্ভাবনা নেই বলে ইঙ্গিত দিয়েছেন মার্কিন বাণিজ্য প্রতিনিধি জেমিসন গ্রিয়ার। বৃহস্পতিবার ভারতীয় সংবাদ সংস্থা এএনআইকে তিনি বলেন, চুক্তি ‘অবিলম্বে’ হওয়ার মতো পরিস্থিতি তৈরি হয়নি। তবে আলোচনায় কোন বিষয়গুলো এখনো বড় বাধা হয়ে আছে, তা দুই পক্ষই চিহ্নিত করতে পেরেছে বলে জানান তিনি।
















