আবারও তাপপ্রবাহের কবলে পড়েছে দেশ। তীব্র তাপপ্রবাহে কয়েকটি অঞ্চলের জনজীবন বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে। তাপপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে রাজধানীতেও।
আবহাওয়া অধিদপ্তর বুধবার দেশের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড করেছে সাতক্ষীরায়। সেখানে ৪১ দশমিক ২ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়। ঢাকায় ৩৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস এবং যশোরে ৪১ দশমিক ১।
এছাড়া ময়মনসিংহ, টাঙ্গাইল, ফরিদপুর, মাদারীপুর, রাজশাহী, বগুড়া, খুলনা ও পটুয়াখালীতে ৩৬ থেকে ৪০ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে। গত মঙ্গলবার দেশের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল চুয়াডাঙ্গায় ৪১ দশমিক ৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস।
আবহাওয়া অধিদপ্তর জানায়, যশোর, কুষ্টিয়া, রাজশাহী, পাবনা ও সৈয়দপুর অঞ্চলের উপর দিয়ে তীব্র তাপপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে। ঢাকা, টাঙ্গাইল, ফরিদপুর, মাদারীপুর, চাঁদপুর, মাইজদীকোর্ট ও পটুয়াখালী অঞ্চলসহ খুলনা, রাজশাহী ও রংপুর বিভাগের অবশিষ্টাংশের উপর দিয়ে মৃদু তাপপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে। বিরাজমান এ তাপপ্রবাহ অব্যাহত থাকতে পারে।
বুধবার সন্ধ্যায় আবহওয়ার পূর্বাভাসে জানানো হয়েছে- ঢাকা, খুলনা, বরিশাল, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের দু-এক জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা/ঝড়ো হাওয়াসহ বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। এছাড়া দেশের অন্যত্র আকাশ অস্থায়ীভাবে আংশিক মেঘলাসহ আবহাওয়া প্রধানতঃ শুষ্ক থাকতে পারে।
এর আগে গত মাসে কয়েকদফা তাপপ্রবাহ বয়ে যায় দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের ওপর দিয়ে।
ঢাকা, ১৪ মে (টাইমনিউজবিডি.কম) // জেএ
আবারও সেই তাপ
আবারও তাপপ্রবাহের কবলে পড়েছে দেশ। তীব্র তাপপ্রবাহে কয়েকটি অঞ্চলের জনজীবন বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে। তাপপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে রাজধানীতেও। আবহাওয়া অধিদপ্তর বুধবার দেশের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড করেছে সাতক্ষীরায়। সেখানে ৪১ দশমিক ২ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়
আরও শক্তিশালী রূপ নিয়েছে ঘূর্ণিঝড় ‘অর্ণব’, যে প্রভাব পড়তে পারে বাংলাদেশে
বঙ্গোপসাগরে অবস্থানরত প্রবল ঘূর্ণিঝড় ‘অর্ণব’ আরও শক্তিশালী হয়ে অতি প্রবল ঘূর্ণিঝড়ে পরিণত হয়েছে। ঘূর্ণিঝড়টি বর্তমানে পশ্চিম-মধ্য বঙ্গোপসাগর ও তৎসংলগ্ন এলাকায় অবস্থান করছে। এর প্রভাবে দেশের চার সমুদ্রবন্দর চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, মোংলা ও পায়রাকে ৩ নম্বর স্থানীয় সতর্ক সংকেত দেখিয়ে যেতে বলা হয়েছে।
ঘূর্ণিঝড় অর্ণব অতিপ্রবল হয়ে অন্ধ্র উপকূলে আঘাত হানতে পারে বুধবার
বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট ঘূর্ণিঝড় ‘অর্ণব’ আরও শক্তিশালী হয়ে অতি প্রবল ঘূর্ণিঝড়ে রূপ নিতে পারে। এরপর আগামী বুধবার (২৮ অক্টোবর) ভারতের অন্ধ্র উপকূল অতিক্রম করতে পারে ঘূর্ণিঝড়টি। এদিকে ঘূর্ণিঝড়ের প্রভাবে দেশের চার সমুদ্রবন্দরকে ২ নম্বর দূরবর্তী হুঁশিয়ারি সংকেত দেখিয়ে যেতে বলেছে আবহাওয়া অধিদপ্তর।
বঙ্গোপসাগরে গভীর নিম্নচাপ, ঘূর্ণিঝড়ের নাম হতে পারে ‘অর্ণব’
পূর্বমধ্য ও সংলগ্ন দক্ষিণ-পূর্ব বঙ্গোপসাগরে অবস্থানরত নিম্নচাপটি ঘনীভূত হয়ে গভীর নিম্নচাপে পরিণত হয়েছে। এটি আরও ঘনীভূত হয়ে ঘূর্ণিঝড়ে রূপ নিতে পারে বলে পূর্বাভাস দিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। ঘূর্ণিঝড়ে পরিণত হলে এর নাম হবে ‘অর্ণব’, যা প্রস্তাব করেছে বাংলাদেশ।
বঙ্গোপসাগরের নিম্নচাপ রূপ নিতে পারে ঘূর্ণিঝড়ে
বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট লঘুচাপটি আরও ঘনীভূত হয়ে ঘূর্ণিঝড়ে রূপ নিতে পারে। এর প্রভাবে রোববার (২৫ অক্টোবর) থেকে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা রয়েছে। আবহাওয়াবিদদের ধারণা, ঘূর্ণিঝড়ে রূপ নিলে এটি ভারতের ওড়িশা অথবা অন্ধ্রপ্রদেশ উপকূলে আঘাত হানতে পারে।
বঙ্গোপসাগরে ঘূর্ণিঝড়ের শঙ্কা, ভারি বৃষ্টির পূর্বাভাস বাংলাদেশে
মধ্য বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট লঘুচাপটি ক্রমে শক্তিশালী হচ্ছে। আগামী দুই থেকে তিন দিনের মধ্যে এটি নিম্নচাপ, গভীর নিম্নচাপ পেরিয়ে ঘূর্ণিঝড়ে রূপ নিতে পারে। প্রাথমিক পূর্বাভাস অনুযায়ী, সম্ভাব্য ঘূর্ণিঝড়টি ভারতের পূর্ব উপকূলে আঘাত হানতে পারে। বাংলাদেশে সরাসরি আঘাত হানার আশঙ্কা আপাতত কম থাকলেও এর প্রভাবে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে ভারি থেকে অতিভারি বৃষ্টিপাত হতে পারে।
















