[b]ঢাকা:[/b] ম্যালেরিয়ার কথা নতুন করে বলার প্রয়োজন নেই৷ মশা-মাছি নিয়ে ঘর করাটা অনেকের কাছে স্বাভাবিক৷‘মশা মারতে কামান দাগা’র মতো প্রবচনেই তো লুকিয়ে রয়েছে বাঙালি জীবনে ম্যালেরিয়ার কাহিনি৷ কিন্তু সেই ম্যালেরিয়ার বিরুদ্ধে টিকা?
মশার কামড় শেষমেষ মৃত্যু ডেকে আনতে পারে,কেননা স্ত্রী অ্যানোফিলিস মশার কামড়ে ম্যালিগন্যান্ট প্যারাসাইট থাকে,যা থেকে ম্যালেরিয়া রোগ হয়৷ একশো'টির কম প্যারাসাইট থেকেই এই মারাত্মক প্রক্রিয়া শুরু হয়ে যেতে পারে৷রক্তের মাধ্যমে ম্যালেরিয়ার প্যাথোজেন যকৃতে পৌঁছয়৷ সেখানে তারা বাসা বাঁধে,বংশবৃদ্ধি করে,বিভক্ত কোষগুলির মাধ্যমে রক্তে গিয়ে পৌঁছয়৷
এইভাবে ম্যালেরিয়া রোগের জীবাণু হাজারে হাজারে সারা শরীরে ছড়িয়ে পড়ে৷রোগীর শরীরে আবার মশা কামড়ালে, প্যারাসাইটগুলি সেই মশার শরীরেও বংশবৃদ্ধি করতে পারে৷ এইভাবেই রোগ ছড়াতে থাকে৷ জ্বর,কাঁপুনি,পেট মোচড়ানো এই সব লক্ষণ দিয়েই ম্যালেরিয়ার সূচনা৷ ম্যালেরিয়া হল দরিদ্রদের রোগ৷ বছরে প্রায় দশ লাখ মানুষ এই রোগে মারা যান,তাদের মধ্যে অধিকাংশই শিশু৷ কিন্তু ম্যালেরিয়ার কোনো কার্যকরী প্রতিষেধক নেই,নেই কোনো কার্যকরী ওষুধ৷
মোকাবিলার উপায়
ম্যালেরিয়ার বিরুদ্ধে প্রধান অস্ত্র হল মশা মারার জন্য কীটনাশক,যদিও সেগুলো মানুষের স্বাস্থ্যের ক্ষতি করতে পারে৷ আফ্রিকাতে ডিডিটি'র ব্যবহার পর্যন্ত বৈধ,যদিও ডিডিটি থেকে ক্যানসার হতে পারে,ডিএনএ'র হানি ঘটতে পারে৷ ওদিকে মশারা ক্রমেই ডিডিটি'র বিরুদ্ধে ‘ইমিউন ,অর্থাৎ অনাক্রম্য হয়ে উঠছে৷
এককালে যে সব ওষুধে কাজ হতো,ম্যালেরিয়ার প্যারাসাইটগুলি আজ সেগুলির বিরুদ্ধেও ইমিউন৷ তারা নিজেদের ‘অ্যাডাপ্ট'করে নিয়েছে,অর্থাৎ মানিয়ে নিয়েছে৷ জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং হল আরেকটি প্রচেষ্টা৷ গবেষকরা মশা ও প্যারাসাইটের জেনেটিক পরিবর্তন করে ম্যালেরিয়ার প্রসার রোধ করার চেষ্টা করছেন৷ ল্যাবোরেটরি পরীক্ষায় ইঁদুরকে ঘুম পাড়িয়ে দেওয়া হয়,যাতে সে মশার কামড় টের না পায়৷ জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং-এর মাধ্যমে পরিবর্তিত প্যাথোজেন তার আর কিছু করতে পারে না৷
টিকার স্বপ্ন
সবচেয়ে সহজ পন্থা হল ম্যালেরিয়ার টিকা তৈরি করা৷ সুদীর্ঘ ৩০ বছর গবেষণার পর আজ সত্যিই একটি টিকা আবিষ্কৃত হয়েছে,যা মানুষের শরীরে রোগের প্রতিষেধক হিসেবে কাজ করে৷ বেৃটিশ ওষুধ কোম্পানি গ্ল্যাক্সোস্মিথক্লাইন বা জিএসকে'র আশা,তাদের এই টিকা ২০১৫ সালের মধ্যে সর্বত্র ব্যবহৃত হবে৷
কিন্তু ফিল্ড টেস্ট করে ততোটা ভালো ফল পাওয়া যায়নি৷ পাঁচ থেকে সতেরো মাসের শিশুদের মাত্র অর্ধেককে ম্যালেরিয়ার হাত থেকে রক্ষা করতে পারে এই টিকা৷ আরো ছোটদের মাত্র এক চতুর্থাংশ এভাবে ম্যালেরিয়ার হাত থেকে রক্ষা পায়৷ কাজেই এই নিঃশব্দ মারণব্যাধির বিরুদ্ধে সংগ্রাম এখানেই শেষ হয়ে যায়নি৷ সূত্র: ডিডব্লিউ
ম্যালেরিয়ার টিকার খোঁজে গবেষণা
ঢাকা: ম্যালেরিয়ার কথা নতুন করে বলার প্রয়োজন নেই৷ মশা-মাছি নিয়ে ঘর করাটা অনেকের কাছে স্বাভাবিক৷‘মশা মারতে কামান দাগা’র মতো প্রবচনেই তো লুকিয়ে রয়েছে বাঙালি জীবনে ম্যালেরিয়ার কাহিনি৷ কিন্তু সেই ম্যালেরিয়ার বিরুদ্ধে টিকা?
বিগত সরকারের টিকা না দেওয়ার খেসারত দিতে হচ্ছে আমাদের: স্বাস্থ্যমন্ত্রী
বিদেশি সংস্থাগুলো বারবার তাগাদা দেওয়ার পরও বিগত সরকার শিশুদের হাম-রুবেলার টিকা দেয়নি বলে মন্তব্য করেছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার সাখাওয়াত হোসেন। তিনি বলেন, বিগত সরকারের ওই সিদ্ধান্তের খেসারত এখন বর্তমান সরকারকে দিতে হচ্ছে।
২৬ সেপ্টেম্বর থেকে বাদ পড়া শিশুদের বিশেষ হামের টিকা
হাম-রুবেলা টিকাদান কর্মসূচি থেকে বাদ পড়া শিশুদের টিকার আওতায় আনতে আগামী ২৬ সেপ্টেম্বর থেকে বিশেষ কর্মসূচি শুরু করছে সরকার। ‘ইনটেনসিফাইড এমআর ক্যাচ-আপ ভ্যাকসিনেশন’ নামে এ কর্মসূচি চলবে ৩১ অক্টোবর পর্যন্ত।
টিকা না পাওয়া শিশুদের খুঁজে বের করে টিকা দেওয়া হবে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী
হামের টিকা থেকে বাদ পড়া শিশুদের খুঁজে বের করে হাম প্রতিরোধে বিশেষ টিকাদান ক্যাম্পেইন পরিচালনার ঘোষণা দিয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন। চলতি মাসের শেষদিকে পূর্ণাঙ্গভাবে আরও একটি টিকাদান ক্যাম্পেইন শুরু করা হবে বলে জানিয়েছেন তিনি।
হামের টিকা দেওয়ায় গাফিলতি তদন্তের দরকার নেই: জিয়াউদ্দিন হায়দার
হামের টিকা দেওয়ার গাফিলতির ঘটনায় তদন্তের দরকার নেই বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর স্বাস্থ্য বিষয়ক বিশেষ সহকারী (প্রতিমন্ত্রীর পদমর্যাদা) এস এম জিয়াউদ্দিন হায়দার।
দুই কোটিরও বেশি শিশুকে হামের টিকা দেওয়া হয়েছে : স্বাস্থ্যমন্ত্রী
স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. শাখাওয়াত হোসেন বলেছেন, দেশের হামের টিকাদান কর্মসূচির লক্ষ্যমাত্রা অর্জনের হার ১২২ শতাংশে পৌঁছেছে। এখন পর্যন্ত দুই কোটিরও বেশি শিশুকে টিকা দেওয়া হয়েছে।
















