রোববার (২০ সেপ্টেম্বর) বিকেলে সচিবালয়ে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন এ তথ্য জানান।
তিনি বলেন, বর্তমানে দেশে হামে আক্রান্ত শিশুদের প্রায় সবাই টিকাবিহীন। তাই চলমান হাম-রুবেলা ক্যাম্পেইনে টিকা নিতে পারেনি বা বাদ পড়েছে—এমন ৬ মাস থেকে ৫ বছরের কম বয়সী শিশুদের খুঁজে বের করে টিকা দেওয়া হবে।
এ ছাড়া কর্মসূচি চলাকালে ৬ মাস বয়স পূর্ণ করা এবং টিকা নেওয়ার উপযুক্ত নতুন শিশুদেরও এর আওতায় আনা হবে বলে জানান স্বাস্থ্যমন্ত্রী।
তিনি বলেন, বর্তমানে হাম আক্রান্ত শিশুদের অনেকের ক্ষেত্রে অপুষ্টি ও অন্যান্য জটিলতার কারণে নিউমোনিয়াসহ গুরুতর শারীরিক সমস্যা দেখা দিচ্ছে। টিকা নেওয়ার পর শরীরে অ্যান্টিবডি তৈরি হতে সাধারণত তিন থেকে চার সপ্তাহ সময় লাগে বলেও জানান তিনি।
ডেঙ্গু ও হাম পরিস্থিতি নিয়ে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, উভয় রোগের চিকিৎসায় সরকারের সব ধরনের প্রস্তুতি রয়েছে। দেশে স্যালাইনের কোনো ঘাটতি নেই। জরুরি পরিস্থিতিতে ডেঙ্গু রোগীদের চিকিৎসায় মোবাইল হাসপাতাল ও সেনাবাহিনীকে প্রস্তুত রাখা হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, ডেঙ্গুর অধিকাংশ চিকিৎসা উপজেলা পর্যায়েই দেওয়া সম্ভব। তবে অনেক রোগী সরাসরি টারশিয়ারি পর্যায়ের হাসপাতালে চলে আসায় এসব হাসপাতালে অতিরিক্ত চাপ তৈরি হচ্ছে।
সংবাদ সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রীর স্বাস্থ্যবিষয়ক বিশেষ সহকারী (প্রতিমন্ত্রী পদমর্যাদা) ড. এস এম জিয়াউদ্দিন হায়দার, স্বাস্থ্য সেবা বিভাগের সচিব ড. আ ন ম বজলুর রশীদ এবং স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ডা. প্রভাত চন্দ্র বিশ্বাস উপস্থিত ছিলেন।
স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জানায়, বিশেষ এ টিকাদান কর্মসূচি বাস্তবায়নে বাংলাদেশ সরকারের বিশেষ ব্যবস্থাপনায় এবং ইউনিসেফের সহযোগিতায় গত ১০ সেপ্টেম্বর প্রায় ৪৩ লাখ ডোজ এমআর টিকা দেশে এসেছে। বর্তমানে দেশে মোট ৫৮ লাখ ডোজ টিকা মজুদ রয়েছে।
এস





