মৌলভীবাজার জেলার বড়লেখায় পুলিশ ও জামায়াত-শিবির সংঘর্ষে থানার ওসিসহ ১০ জন আহত হয়েছেন।
রোববার রাত সাড়ে ১০টার দিকে উপজেলার কাঠালতলী এলাকায় এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, রোববার রাত ১০টার দিকে জামায়াত ও শিবিরের ১৫/২০ জন নেতাকর্মী বড়লেখা উত্তর কাঠালতলী গ্রামে একটি বাড়িতে বৈঠক করছিল। গোপনসূত্রে জানতে পারলে পুলিশ তাদের আটক ও ছত্রভঙ্গ করতে ঘটনাস্থলে পৌঁছালে শিবির কর্মীরা ডাকাত পড়েছে বলে মসজিদে মাইকিং করে পুলিশের উপর ইটপাটকেল নিক্ষেপ করে ।
এতে বড়লেখা থানার ওসি আবুল হাসেম ও দুই কনস্টেবলসহ ১০ জন আহত হয়। পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে ১০ রাউন্ড শর্টগানের গুলি ছোড়ে। ঘটনাস্থল থেকে ৫ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।
আটককৃতরা হলেন, আব্দুল আহাদ রুহল (২২),দেলোয়ার হোসেন তাহের(২৪), নিজাম উদ্দিন(২৮),সাইক উদ্দিন(২৫) ও শাহ আলম(১৮)।
বড়লেখা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবুল হাসেম ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, গ্রেফতারকৃত শিবির ক্যাডাররা সংঘবদ্ধ হয়ে নাশকতার পরিকল্পনা করার জন্য একটি বাড়িতে জড়ো হয়েছিল। তাদের বিরুদ্ধে কাঠালতলী এলাকায় আওয়ামী লীগ, যুবলীগ ও ছাত্রলীগের একাধিক নেতাকে কুপিয়ে হত্যা চেষ্টার মামলাসহ বিভিন্ন ধরনের সন্ত্রাসীর অভিযোগে মামলা রয়েছে।
[b]ঢাকা, ৭ এপ্রিল (টাইম নিউজবিডি.কম)//এনএস
[/b]
মৌলভীবাজারে জামায়াত-পুলিশ সংঘর্ষ, ওসিসহ আহত ১০
মৌলভীবাজার জেলার বড়লেখায় পুলিশ ও জামায়াত-শিবির সংঘর্ষে থানার ওসিসহ ১০ জন আহত হয়েছেন। রোববার রাত সাড়ে ১০টার দিকে উপজেলার কাঠালতলী
মৌলভীবাজার-হবিগঞ্জে প্লাবনের শঙ্কা, সিলেটে বন্যা পরিস্থিতির উন্নতি
দেশের তিনটি নদীর তিনটি পয়েন্টে এখনও পানি বিপৎসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। তবে সুরমা-কুশিয়ারা নদীর পানি কমতে থাকায় আগামী ২৪ ঘণ্টায় সিলেট ও সুনামগঞ্জের বন্যা পরিস্থিতির উন্নতি হতে পারে। একইসঙ্গে মনু ও খোয়াই নদীর পানি দ্রুত বাড়ার আশঙ্কায় মৌলভীবাজার ও হবিগঞ্জের নদীসংলগ্ন নিম্নাঞ্চল সাময়িকভাবে প্লাবিত হতে পারে বলে জানিয়েছে বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্র।
৪০ হাজার মানুষ পানিবন্দি মৌলভীবাজারে প্রতিরক্ষা বাঁধ ভেঙে বন্যা
টানা ভারী বৃষ্টিপাত ও উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলে মৌলভীবাজারের মনু ও ধলাইয়ের একাধিক স্থানে প্রতিরক্ষা বাঁধ ভেঙে যাওয়ায় জেলার চার উপজেলায় আকস্মিক বন্যা দেখা দিয়েছে। এতে মৌলভীবাজারের সদর, রাজনগর, কমলগঞ্জ, কুলাউড়া উপজেলার ২৮টি ইউনিয়ন ও ১টি পৌরসভাসহ প্রায় ১০ হাজারের পরিবারের অন্তত ৪০ হাজার মানুষ পানিবন্দি হয়ে পড়েছেন।
মনু নদীর বাঁধ ভেঙে মৌলভীবাজারে ১৫ গ্রাম প্লাবিত
অব্যাহত বৃষ্টি ও ভারতের উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলে মৌলভীবাজারের রাজনগর উপজেলায় মনু নদীর বাঁধে ভাঙন দেখা দিয়েছে। এতে উপজেলার টেংরা ও কামারচাক ইউনিয়নের অন্তত ১৫টি গ্রাম প্লাবিত হয়ে প্রায় ১০ হাজার মানুষ পানিবন্দি হয়ে পড়েছেন।
ধলাই নদীর বাঁধ ভেঙে মৌলভীবাজারে বহু গ্রাম প্লাবিত
অব্যাহত বৃষ্টি ও ভারতের উজান থেকে আসা পাহাড়ি ঢলে মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জে ধলাই নদীর বাঁধ ভেঙে গেছে। এতে উপজেলার ইসলামপুর, মাধবপুর ও আদমপুর ইউনিয়নে বেশ কিছু গ্রাম প্লাবিত হয়েছে। পানিবন্দি হয়ে পড়েছেন অন্তত ১০ হাজার মানুষ। পানিতে তলিয়ে গেছে আউশ ধানসহ বিভিন্ন ফসলের মাঠ।
মৌলভীবাজার সীমান্তে পুশইনের চেষ্টা, কঠোর অবস্থানে বিজিবি
মৌলভীবাজার সীমান্তে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনীর (বিএসএফ) পুশইনের চেষ্টা থামছেই না। গত এক সপ্তাহ ধরে ১৫-২০ বার পুশইনের চেষ্টা করলেও বিজিবির বাধার মুখে তা ব্যর্থ হয়েছে। গত কয়েক দিনে জেলার বড়লেখা উপজেলার পাল্লাতল, নিউ পাল্লাতল, লাতু, গান্দাইল, বোবারতল ও উত্তর ষাইটঘর সীমান্ত দিয়ে ৩০-৪০ জনকে পুশইনের চেষ্টা চালিয়ে ব্যর্থ হয়েছে বিএসএফ। ৫২ বিজিবি ব্যাটালিয়নের আওতাধীন ১১৪ কিলোমিটার সীমান্তজুড়ে পুশইন ঠেকাতে বিজিবি কঠোর অবস্থান নিয়ে টহল বৃদ্ধি করেছে।
















