কক্সবাজারে সিরাজুদ্দৌলা নামের এক ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান ও আওয়ামী লীগ নেতাকে আটক করেছে ডিবি পুলিশ।
সোমবার রাত সাড়ে ১০টার দিকে কক্সবাজার শহরের লালদিঘীর পাড় হোটেল জিয়া’র আশপাশের এলাকা থেকে তাকে আটক করা হয়।
জানা গেছে, সিরাজুদ্দৌলা কক্সবাজার জেলার দ্বীপ উপজেলার কুতুবদিয়া ১নং উত্তর ধুরুং ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান।
কক্সবাজার ডিবি পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মনজুর আলম ভুঁইয়া জানান, আটক চেয়ারম্যান একটি স্টাম্প জালিয়াতির মামলার চার্জশিটভুক্ত আসামি।
ঢাকা, ২৭মে (টাইমনিউজবিডি) //জেডআই
কক্সবাজারে ইউপি চেয়ারম্যান আটক
কক্সবাজারে সিরাজুদ্দৌলা নামের এক ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান ও আওয়ামী লীগ নেতাকে আটক করেছে ডিবি পুলিশ। সোমবার রাত সাড়ে ১০টার
রক্ষা পেলেন ৩ শতাধিক পর্যটক ফের কক্সবাজারের হোটেলে আগুন
কক্সবাজারের সুগন্ধা পয়েন্টে ‘দ্য সি প্রিসেন্স’ নামের একটি আবাসিক হোটেলে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। ঘটনার সময় হোটেলটিতে তিন শতাধিক পর্যটক অবস্থান করছিলেন। আগুন লাগার পরপরই তারা সবাই নিরাপদে হোটেল থেকে বেরিয়ে আসেন।
কক্সবাজারে সৈকতের জায়গা দখল করে ‘প্রাইভেট বিচ’
কক্সবাজার শহরের কলাতলী থেকে টেকনাফ জিরো পয়েন্ট পর্যন্ত অবিচ্ছিন্ন সমুদ্রসৈকতের পাশ ঘেঁষে নির্মিত হয়েছে ৮০ কিলোমিটার দীর্ঘ মেরিনড্রাইভ সড়ক। উখিয়ার ইনানী এলাকায় এই সড়কসংলগ্ন ইসিএভুক্ত (পরিবেশগত সংকটাপন্ন এলাকা) সৈকতের প্রায় ৮০০ মিটার দীর্ঘ অংশ দখল করে ‘প্রাইভেট বিচ’ বা ব্যক্তিগত সৈকত দাবি করে অবৈধভাবে বাণিজ্যিক কার্যক্রম চালাচ্ছে ‘বেলাভূমি ভিলা অ্যান্ড রিসোর্ট’ নামের একটি প্রতিষ্ঠান।
খোঁজ মিলছে না আরো দুজনের কক্সবাজারে সমুদ্রে নেমে তিন পর্যটকের মৃত্যু
কক্সবাজার সমুদ্রসৈকতের হিমছড়ি পয়েন্টে সমুদ্রে গোসলে নেমে তিন পর্যটকের মৃত্যু হয়েছে। এ ছাড়া আরো দুজন নিখোঁজ রয়েছেন। নিহত ও নিখোঁজদের সবার বয়স ২৬ থেকে ৩০ বছরের মধ্যে এবং তারা পুরুষ বলে জানা গেছে।
কক্সবাজার সৈকতে গোসলে নেমে ৩ পর্যটকের মৃত্যু
কক্সবাজারের হিমছড়ি এলাকার সৈকতে গোসল করতে নেমে তিন পর্যটকের মৃত্যু হয়েছে। এ ঘটনায় একজনকে জীবিত উদ্ধার করা হয়েছে। এখনো নিখোঁজ রয়েছেন আরও দুজন।
ডিএনএ ল্যাব নেই কক্সবাজারে, ১০ মরদেহ হস্তান্তরে লাগতে পারে দুই সপ্তাহ
কক্সবাজারের উখিয়ার ইনানীতে টুপটুপ রেস্ট্রো অ্যান্ড রিসোর্টে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে নিহত ১০ পর্যটকের মরদেহ শনাক্ত করতে ডিএনএ পরীক্ষার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। আগুনে মরদেহগুলো এতটাই পুড়ে গেছে যে, দেখে পরিচয় নিশ্চিত করা কঠিন হয়ে পড়েছে। তবে কক্সবাজারে ফরেনসিক ডিএনএ পরীক্ষার ল্যাব না থাকায় নমুনা ঢাকায় পাঠাতে হচ্ছে। ফলে মরদেহগুলো স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করতে অন্তত দুই সপ্তাহ সময় লাগতে পারে।















